আজ শুক্রবার, ৯ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৩ জুন ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : পশ্চিমবঙ্গে ঈদের ছুটি ১ দিন : কালো ব্যাজ পরে ঈদের নামাজ পড়ার আহ্বান       রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিমানকে ন্যাটোর যুদ্ধবিমানের ধাওয়া       ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে কদর       যাত্রীদের নিরাপত্তায় সদরঘাটে ৫০০ পুলিশ মোতায়েন       জনপ্রিয় হচ্ছে কুমারিত্ব ঠিক রাখার অস্ত্রোপচার       পাকিস্তানে চীনের ভিসা কঠিন করা হচ্ছে       উত্তর কোরিয়ার সংবাদপত্রে ট্রাম্পকে বিকারগ্রস্ত বলে দাবি      
টপ সয়েল কমলে খাদ্য ঘাটতি বাড়বে
Published : Friday, 29 July, 2016 at 9:43 PM, Count : 65
স্টাফ রিপোর্টার : কৃষি জমির উপরিভাগের মাটি কমে গেলে দেশ খাদ্য ঘাটতিতে পড়ে যাবে। তাই মাটির উপরিভাগের ব্যবহার কমানোর জন্য উদ্যোগ নেয়ার পাশাপাশি তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ওক্সফাম ইন বাংলাদেশ আয়োজিত ‘প্রমোটিং সাস্টেইনেবল বিল্ডিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ইটের বিকল্প সরঞ্জামাদি ব্যবহার করে ভবন তৈরির কাজ শুরুর কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করেছে। মালয়েশিয়ান প্রযুক্তিতে ইটের ব্যবহার ছাড়াই ৮ হাজার ৪০০টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভবন তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ৩০ মাসের মধ্যে আমরা তা দেখতে পাব। এ ছাড়া আমরা নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে মাটি সংগ্রহ করে ইট তৈরিতে ব্যবহার করতে পারি। তিনি জানান, ইতিমধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্প তৈরিতে ইটের বিকল্প ফেরো সিমেন্ট ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া নানা উদ্যোগ হাতে নেয়া হয়েছে। কক্সবাজারের অধিকাংশ হোটেলে পয়ঃনিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা নেই বলেও জানান তিনি।
কর্মশালায় বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টালম ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বেলা) চিফ এক্সিকিউটিভ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ইট তৈরির মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বছর প্রায় ১২৭ কোটি সেফটি ইট তৈরিতে মাটি দরকার হয়। এই বিপুল পরিমাণ মাটি কোথা থেকে আসছে? প্রতি বছর চাহিদা বাড়ছে দুই থেকে তিন শতাংশ। গত ৪ বছরে এক হাজার ৯৩০টি ইটভাটা তৈরি হয়েছে। এই      পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে আমাদের দেশে ইটের অবস্থান। সুতরাং পরিবেশ আর কৃষি জমির উপরিভাগের মাটির কথা চিন্তা করে আমাদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজে নেমে যেতে হবে। কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেনÑ অক্সফাম ইন বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর স্নেহাল ভি. সোনেজি, হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিচার্স ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) পরিচালক মোহাম্মাদ আবু সাদেক, ওক্সামের আরবান ম্যানেজার আফরোজ মহল, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন (জেসিএফ) প্রোগ্রামস ডিরেক্টর হাসান আরেফ প্রমুখ।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি