আজ মঙ্গলবার, ১১ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : সচিবের গাড়ি চালককে অব্যাহতি       উল্টো পথে গাড়ি চালানোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত       আফগানিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮       ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩       দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারাদেশে র‌্যাবের নজরদারি       জাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে ১৬০ জন       কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সন্ত্রাসী নিহত       
রহস্যঘেরা প্রাচীন সপ্তাশ্চার্য ব্যাবিলনের "শূন্য উদ্যান" সম্পর্কে কিছু চমকপ্রদ তথ্য !
Published : Monday, 9 January, 2017 at 3:08 PM, Update: 09.01.2017 3:23:26 PM, Count : 774
রহস্যঘেরা প্রাচীন সপ্তাশ্চার্য ব্যাবিলনের ভোরের ডাক ডেস্কঃ ব্যাবিলনের (আধুনিক ইরাকের অংশ) ইউফ্রেটিস নদীর তীরে তৈরিকৃত একটি উদ্যান বিশেষ। হাজারো রহস্যে ঘেরা ব্যবিলনের শূন্যোদ্যান বা ঝুলন্ত বাগান পৃথিবীর সবচাইতে প্রাচীন সপ্তাশ্চার্যগুলোর মধ্যে একটি।

ধারণা করা হয় খ্রিস্টপূর্ব (৬০৪ – ৫৬১) অব্দের দিকে নির্মিত হয়েছিল। উদ্যানটি সম্রাটের উপাসনালয়ের ছাদে নির্মাণ করা হয়েছিল। এটি ছিল তৎকালীন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বাগান এবং মানুষের তৈরি পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর ও চমকপ্রদ বাগান।

কথিত আছে এটি রাজা নেবুচাঁদনেজার তার রাণী আমিতিসের মনোরঞ্জনের উদ্দ্যেশ্যে তৈরি করেন। সম্রাট নেবুচাদনেজা যখন নিনেভে দখল করেন। সে সময় মিডিয়ান সম্রাট তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। পরে তিনি মিডিয়ান রাজকন্যার সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে তাঁকে বিয়ে করেন। মিডিয়া পর্বতশোভিত দেশ। পক্ষান্তরে ব্যাবিলন সমতল এবং মরুধর্মী দেশ। ফলে সম্রাজ্ঞী প্রায়ই ম্রিয়মান হয়ে থাকতেন। সম্রাট তাঁর সম্রাজ্ঞীকে খুশি করার জন্য এই উদ্যানটি তৈরি করেছিলেন।

রহস্যঘেরা প্রাচীন সপ্তাশ্চার্য ব্যাবিলনের পাহাড়ের আদলে তিনি মাটির স্তূপ করলেন এবং তাতে বিভিন্ন দেশের আকর্ষণীয় গাছের সমাহার ঘটালেন। ৫ থেকে ৬ হাজার প্রকার গাছ এই উদ্যানে রোপণ করা হয়েছিল।

নেবুচাঁদনেজার ইরাকের ইউফ্রেটিস নদীর তীরে ৪৩ বছর ধরে বাগানটি তৈরি করেছিলেন।

প্রাচীন তথ্যাদি থেকে জানা যায় এটি দৈর্ঘ প্রায় ৪০০ ফুট এবং প্রস্থ ৪০০ ফুট এর আয়তন ছিল ১৬০০০০ বর্গফুট। মাটি থেকে এর উচ্চতা ছিল ৮০ ফুট।

জানা যায়, প্রায় ৪০০০ শ্রমিক রাতদিন পরিশ্রম করে তৈরি করেছিলেন এই বাগান। বাগান পরিচর্যার কাজে নিয়োজিত ছিল ১ হাজার ৫০ জন মালি। ৫ থেকে ৬ হাজার রকম ফুলের চারা রোপণ করা হয়েছিল এই ঝুলন্ত বাগানে।

বাগানে প্রতিদিন ৮২ হাজার গ্যালন পানি প্রয়োজন ছিল, যা একটি পাইপের সাহায্যে জলাশয় থেকে তোলা হতো।

খ্রিষ্ট-পূর্ব ৫১৪ অব্দে পারস্য সম্রাট সাইরাস জেরুজালেম দখল করার সময় ব্যাবিলনে নগরটি ধ্বংস করেন। এই সময় ব্যাবিলনের রাজপ্রাসাদ-সহ বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করে দেওয়া হয়।

রহস্যঘেরা প্রাচীন সপ্তাশ্চার্য ব্যাবিলনের পরবর্তীকালে ব্যাবিলনের সম্রাট হন নেবোনিডাস। কিন্তু ব্যাবিলন আর আগের সমৃদ্ধিতে ফিরে যেতে পারেনি। পারস্য সম্রাটের আক্রমণে এই উদ্যানটি যথেষ্ঠ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময় এই উদ্যানটি রক্ষার কোনোই উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এবং কালক্রমে এই উদ্যানটি সম্পূর্ণরূপে বিলীন হয়ে যায়।

উৎস্য: ইন্টারনেট


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি