আজ মঙ্গলবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ৩০ মে ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : ঘূর্ণিঝড় 'মোরা' কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করছে        সাতক্ষীরায় ট্রাকের ধাক্কায় কলেজ শিক্ষকের মৃত্যুু        চবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বাতিল       ঘূর্ণিঝড় মোরা'র আঘাতে লণ্ডভণ্ড সেন্টমার্টিন       ২-৩ ঘণ্টায় বাংলাদেশ অতিক্রম করবে ‘মোরা’        ভিয়েনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী        উপকূলের কাছাকাছি ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ : ১০ নম্বর মহাবিপদ সঙ্কেত      
ইতিহাসখ্যাত রহস্যময় ভয়ানক মারণাস্ত্র “বুমেরাং" সম্পর্কে অাজব কাহিনী !
Published : Monday, 9 January, 2017 at 3:58 PM, Count : 87
ইতিহাসখ্যাত রহস্যময় ভয়ানক মারণাস্ত্র “বুমেরাংভোরের ডাক বিচিত্রাঃ আদি থেকেই রহস্যে ঘেরা এই পৃথিবী। তা সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিই হোক আর মনুষ্য তৈরিই হোক। এর প্রতিটি রহস্যের পেছনে বিজ্ঞানীরা আজও ছুটে চলেছে। অনেক কিছু অজানা থাকলেও কিছু কিছু রহস্য এরই মধ্যেই তারা উদঘাটন করে ফেলেছে। বিজ্ঞানীরা অনেক রহস্যের জট খুলতে পারলেও আমাদের কাছে তা আজও রহস্যময়।

‘বুমেরাং’ এমনই এক ভয়ানক আর রহস্যময় অস্ত্র। যা কি না নিক্ষেপকারীর লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে তার কাছেই আবার ফিরে আসতো। কিন্তু সেই লক্ষ্যকারীর কোন ক্ষতি হতো না। খুব অবাক লাগছে তো? তাহলে আজ এই রহস্যে ঘেরা অস্ত্র সম্পর্কে জেনে নিন।

বর্তমানে বিভিন্ন দেশই তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক সব অস্ত্র। আর বিধ্বংসীও বটে। তবে শুধু এখনকার মানুষরাই অস্ত্র তৈরি করে তা কিন্তু নয় পূর্বের দিনের মানুষরাও বানাতো অস্ত্র। এখনকার অস্ত্রের মতো এত বেশি ভয়াবহ হয়তো ছিলো না। তবে সেই সময়ের অস্ত্রগুলো তৈরি করা হতো প্রখর বুদ্ধিমত্তার দ্বারা। 

তেমনই একটি অস্ত্র এই বুমেরাং। এটি দিয়ে মানুষ বা শক্তিশালী জন্তু-জানোয়ারকে সহজেই আক্রমণ করা যেত। সুদূর অতীতে দ্বৈরথ যুদ্ধে পদাতিক ও অশ্বারোহী(ঘোরা চরা) বাহিনীর প্রধান হাতিয়ার ছিল এই বুমেরাং। একে একটি বক্রাকৃতি মারণাস্ত্র বলা যায়।

এই ভয়ানক অস্ত্র প্রথমে তৈরি করেছিল আদিম অস্ট্রেলীয়রা। এরপর তাদের অনুকরণ করে ভারতেও এর ব্যবহার শুরু হয়। এশীয় ও মিসরীয় যোদ্ধারা সবসময় বুমেরাং ব্যবহার করত। প্রাচীন ভারতীয়রা যে বুমেরাং তৈরিতে পারদর্শী ছিল। এখনও ভারতের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান জাদুঘরে সুসজ্জিত দেয়ালচিত্রে তা দেখা যায় । 

এর ছিল তিনটি বৈশিষ্ট্যঃ
১- এতে বিমানের প্রপেলারের মতো প্যাঁচ ছিল।
২- এটি চলার সময় নানারকম পাক খেয়ে এঁকেবেঁকে চলতে পারত।
৩- কোনো কারণে লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে বুমেরাং ফের নিক্ষেপকারীর কাছেই ফিরে আসতে পারত।

এ অভিনব অস্ত্রটির নিখুঁত যান্ত্রিক কৌশল বহুকাল ধরে বিজ্ঞানীদের অবাক করে আসছে। অষ্টাদশ শতকের শুরুতে মানুষ যখন বিভিন্ন ধরনের মারণাস্ত্র তৈরিতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই বুমেরাংয়ের প্রতি মানুষের কৌতূহল বহুগুণে বেড়ে যায়।

এক শৌখিন বিজ্ঞানী ছুটে যান অস্ট্রেলিয়ায়। তিনি দীর্ঘদিন ঘুরে বেড়ান আদিম এলাকাগুলোতে। আদিবাসীদের সঙ্গে কাটান বেশ কিছুদিন। তাতেই
বেরিয়ে আসে বুমেরাংয়ের তথ্য ও এর অদ্ভুত যন্ত্রকৌশলের রহস্যটি।

পদার্থবিজ্ঞানের একটি মৌলিক সূত্রের মাধ্যমে সে চলাফেরা করে। বুমেরাং কাঠ বা পাতলা লোহা দিয়ে তৈরি। এর চলার গতি আঁকাবাঁকা, ঘূর্ণিবায়ুর মতো পাক খাওয়া ছুটন্ত সাপের মতো ঢেউ তোলা। বুমেরাংয়ের চলার ধরন সহজেই শিকারকে আক্রমন করে।

বুমেরাংয়ের সেই বিচিত্র গতি তিনটি কারণের মিলিত ফল। কারণগুলো হলোঃ
১-  প্রথমেই নিক্ষিপ্ত বল
২-  বুমেরাংয়ের নিজস্ব ঘূর্ণি
৩- বায়ুর বাধা

এ তিনের সমন্বয়ে বুমেরাং এঁকেবেঁকে পাক খেয়ে চলে।

আর বুমেরাংয়ের অবাক করা আসল রহস্যটা হলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে ফিরে আসে নিক্ষেপকারীর কাছে। তবে এটি কিভাবে যে নিক্ষেপকারীর হাতে ফিরে আসে সে ব্যাপারে অনেক তথ্য প্রকাশিত হলেও সেটি এখনও বিজ্ঞানী ও সাধারণ মানুষদের কাছে এক রহস্যের বিষয়।

উৎস: প্রতিক্ষণ/এডি/জেডএমলি!


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি