আজ মঙ্গলবার, ১৪ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ, ২৮ মার্চ ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : সিলেটে আতিয়া মহলে পাওয়া গেছে ৪ জনের মৃতদেহ       রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন মুফতি হান্নানের       নেতিবাচক ফলের কারণে নেদারল্যান্ডসের কোচ বরখাস্ত       তুষারধসের ঘটনায় জাপানে ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর আশঙ্কা       পশ্চিমবঙ্গকে জেএমবি নাশকতা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা       মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৫টি কোম্পানির ওপর ইরানের নিষেধাজ্ঞা       ২ এপ্রিল ব্লগার রাজীব হত্যায় হাইকোর্টের রায়      
রাজধানীতে সিটিং সার্ভিসের নামে প্রতারণা
Published : Thursday, 12 January, 2017 at 9:14 AM, Update: 12.01.2017 9:14:24 AM, Count : 52
স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর গণপরিবহনে সিটিং সার্ভিসের নামে চিটিংবাজি নতুন নয়। যাত্রীরা সিটিং সার্ভিস না বলে চিটিং সার্ভিস বলতেই যেন বেশি স্বচ্ছন্দ্যবোধ করেন। ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য, স্টপেজ ছাড়া যাত্রী ওঠানো, ঠেসে-গেঁদে দাঁড়ানোর জায়গাটিও বোঝাই করা এদের কাছে নতুন নয়। তবে গাড়ির ছাল-চামড়া ওঠানো থাকলেও ‘সিটিং সার্ভিস’ লেখাটি থাকে জ¦লজ¦লে! রাজধানীর অধিকাংশ রুটে গণপরিবহনগুলো নিজেদের সিটিং সার্ভিস দাবি করে নির্বিঘেœ চালিয়ে যাচ্ছে তাদের চিটিংবাজি ব্যবসা। হাফ পাস নেই, কম স্টপেজ, সিটিং সার্ভিস লিখে যে যার ইচ্ছেমতো বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। লেখার সঙ্গে কোনো মিল নেই সার্ভিসের। এর নিয়ন্ত্রণ নেই কারো হাতে, নেই     জবাবদিহিও। সব মিলিয়ে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের কাছে অসহায় যাত্রীরা। গতকাল বুধবার রাজধানীর শ্যামলী, আসাদগেট, সায়েন্সল্যাব মোড় ও শেরেবাংলা রোডসহ বিভিন্ন রুটের গাড়িগুলোতে ওঠলে দেখা যায়, প্রতারণার ফাঁদ পাতা এসব সিটিং নামের লোকাল চিটিং গাড়িগুলোর নৈরাজ্য। রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে মিরপুর-১০, ২, ১ নম্বর হয়ে আনসার ক্যাম্প যায় প্রজাপতি এবং মোহাম্মদপুর থেকে আবদুল্লাহপুর যায় তেতুলিয়া পরিবহন। এদিকে সাভার থেকে আজিমপুর যায় গ্রামীণ সেবা, যেগুলোর সর্বনিম্ন ভাড়া ২৫ টাকা। আবার যাত্রাবাড়ী থেকে গাবতলী ও সাভার পর্যন্ত চলে লাব্বাইক পরিবহন, সাইন্সল্যাব শাহবাগ মালিবাগ চলে তরঙ্গ প্লাসÑ তাদের সর্বনিম্ন ভাড়া ২০ টাকা। কিন্তু এসব বাসে যাত্রীদের টিকিট দেয়া হয় না।
সরেজমিন দেখা যায়, সিটিং সার্ভিসের নামে বাড়তি ভাড়া নেয়া হলেও যাত্রীসেবার মানও আগের চেয়ে কমেছে। বেশির ভাগ সিটিং সার্ভিস বাসে ফ্যানের কোনো ব্যবস্থা তো নেই, এমনকি সিটগুলোও ভাঙা, ঠিক নেই গ্লাস। যেখানে সেখানে থামিয়ে যাত্রী তোলা হয়, অপরিচ্ছন্ন আসন, আর ছারপোকা তো নিত্যদিনের সঙ্গী। লক্কড়-ঝক্কড় এসব বাসে ইঞ্জিনের ওপরও বসানো হচ্ছে যাত্রীদের।
যাত্রীকল্যাণ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ মাসে ১৭টির বেশি নতুন বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। তাদের সাথে পাল্লা দিয়ে পুরনো বাস সার্ভিসগুলোও সিটিং সার্ভিসের এক প্রতিযোগিতায় মেতেছে। প্রতিনিয়ত ভোগান্তি ও প্রতারণার শিকার হওয়া চাকরিজীবী আব্দুস সামাদ (৪৩) বলেন, আসলে লোকাল-সিটিং বলতে কিছু নেই। সবারই ভাড়া বেশি নেয়ার ধান্ধা। টাকা দিতে আপত্তি নেই, যদি সেবাটা পাওয়া যেত। আমরা নিরুপায়, তাই বাসে উঠতে হয়। অন্যদিকে ৩৭ আসনের স্থলে ৪১ আসনবিশিষ্ট বাসে যাত্রীরা আরাম করে বসতে পারে না। অতিরিক্ত আসনের কারণে বেশির ভাগ বাসে উঠতে-নামতে সমস্যায় পড়তে হয় যাত্রীদের। এ ছাড়া নারী যাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রাখা হয়নি, ফলে নারী যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তারপরও দ্বিগুণ টাকা গুনতে হয় শুধু সিটিং সার্ভিসের নামে।
প্রজাপতি গাড়ির চালক মো শাকিল (৩৫) জানান, গাড়ি মালিক গাড়ি মেরামত না করলে আমরা কি করতে পারি। সিটিং সার্ভিসই চালানো হয়, তবে মাঝেমধ্যে যাত্রীর চাপ থাকলে লোকাল যাত্রীও নেই। এ বিষয়ে যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক বলেন, সিটিং সার্ভিস চালানোর কোনো বৈধতা কারো নেই। বিআরটিএ থেকে ভাড়া নির্ধারণ করা আছে, সেটাই ন্যায্য ভাড়া। এর বাইরে সব প্রতারণার ফাঁদ, এদের চিহ্নিত করে সরকারের ব্যবস্থা নেয়া উচিত।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি