আজ বুধবার, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : থার্টি ফার্স্টে বন্ধ থাকবে বার, বৈধ অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ       মগবাজার ফ্লাইওভারে চলন্ত বাসে আগুন       রাজধানীতে সেলুনে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩       'আজেবাজে জিদ' করেন না মাশরাফি       গোদাগাড়ীতে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২       বিপিএল শিরোপা জিতলো রংপুর       পাঁচবারের চারবারই 'চ্যাম্পিয়ন' মাশরাফি      
মণিরামপুরে বন্যা পরবর্তী কৃষি চাষ
আমন ধানের ভাসমান বীজতলা
Published : Sunday, 13 August, 2017 at 7:08 PM, Count : 81
আমন ধানের ভাসমান বীজতলামো. আব্বাস উদ্দীন, মণিরামপুর (যশোর) সংবাদদাতা : মণিরামপুরে বন্যা পরবর্তী কৃষি পূনর্বাসনে আপতকালীন ধান চাষ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ধানের বীজতলা তৈরির অংশ হিসেবে জলাবদ্ধ এলাকায় ধানের ভাসমান বীজতলা তৈরিতে মণিরামপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। যা চলতি আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অনেকটা সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কৃষকরা এমনটি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, চলতি বছর মণিরামপুর উপজেলায় সর্বমোট ২১ হাজার ৫’শ ৮০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এ লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে কৃষকেরা ১ হাজার ২’শ ৫০ হেক্টর জমিতে ধানের বীজতলা তৈরি করেছিলো। কিন্তু টানা ভারী বর্ষণ ও নদীর উজানের পানিতে মণিরামপুর উপজেলার ১৭ ইউনিয়ণের মধ্যে ১১টি ইউনিয়ণের অধিকাংশ এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ পানিতে তলিয়ে যেয়ে রোপা আমন ধান ও ধানের বীজতলা তলিয়ে যেয়ে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। প্রায় ৫’শ হেক্টর জমির রোপা ধান সম্পুর্ন  তলিয়ে যেয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। আর প্রায় ৫০ হেক্টর জমির বীজ তলা সম্পুর্ন বিনষ্ট হয়ে গেছে। আমান ধানের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে কৃষক পর্যায়ে নতুন করে প্রায় এক’শ হেক্টর জমিতে ধানের বীজতলা তৈরি করেছে আর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ধুদ্ধকরণ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার জলাবদ্ধ এলাকা খানপুর ,হরিদাসকাটি, শ্যামকূড়, নেহালপুর, কুলটিয়া,দুর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নে ২৫জন কৃষক ২৫ শতাংশ জমিতে আমন ধানের ভাসমান বীজতলা তৈরি করেছে। এই বীজতলার ধানের চারা দিয়ে ৩/৪ হেক্টর জমিতে ধান রোপন করা যাবে বলে উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অঞ্জলি রায় জানান।  এদিকে বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া রোপা আমন  ধানের জমি থেকে পানি সরে যাওয়ায় নষ্ট হয়ে যাওয়া ধানের ক্ষেতে পুনরায় ধানের চারা রোপণ করতে কৃষক পর্যায়ে ধানের চারা যোগাড় করতে বেশ হিমসিম খেতে হচ্ছে। উচু এলাকায় ধান বীজের চারার সন্ধান মিললেও দাম বেশ চড়া। উপজেলার হালসা গ্রামের প্রান্তিক চাষিদের। এক শতক জমিতে ধান রোপণ করতে ৫০ টাকার চারা কিনতে হচ্ছে। তিনি জানান, ৮ মুঠো চারা ৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে । এক বিঘা জমি রোপণ করতে ২হাজার টাকা খরচা করে ধানের চারা কিনতে হচ্ছে। ফলে কৃষকরা এবার আমন ধান আবাদে আর্থিকভাবে বেশ লোকসানের শিকার হবে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার তরফদার জানান, চলতি মৌসুমের টানা ভারী মৌসুমে মণিরামপুর উপজেলার বিস্তীর্ন এলাকা তলিয়ে যেয়ে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে অনেক ধানের বীজতলা তলিয়ে যাওয়ায় আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এ ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তত্বাবধানে আপতকালীন কৃষি পুনর্বাসনে ভাসমান বীজতলা তৈরির পাশাপাশি কৃষকদের উদ্দুদ্ধ করে আরও নতুন করে কৃষকেরা বীজতলা তৈরি করেছে। যার ফলে বন্যা পরবর্তী আমন ধান চাষ এবার আশাতীতভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি