আজ বুধবার, ৪ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : ৬ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন দেয়ার নির্দেশ       ডিএনসিসির উপ-নির্বাচন স্থগিত       কলম্বিয়ায় সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত : নিহত ১০       রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তির বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের গভীর উদ্বেগ       উত্তরা মেডিকেলের ৫৭ শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রমে বাধা নেই       না.গঞ্জে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত দুই       শাহজালালে ৩১৮ কার্টন সিগারেট জব্দসহ আটক ২      
ইন্টারনেটের আগ্রাসন ও অজ্ঞতা
Published : Thursday, 14 September, 2017 at 2:52 PM, Count : 339
ইন্টারনেটের আগ্রাসন ও অজ্ঞতাতৈমুর মল্লিক : শুরুতেই একটি কথা বলা অতি জরুরী, প্রশ্ন হতেই পারে সব বিষয় সকলকে জানতে হবে এমন কোন কথা নেই। আমিও এই যুক্তির বিপক্ষে কিছুই বলবো না। তবে যে বিষয় সার্বিক ভাবে আপনার সমাজ সংসার নিয়ন্ত্রণ করে, যে বিষয়ের কারণে বর্তমানে সমাজ সংসারের সুখ শান্তি সমৃদ্ধি বা ধ্বস সাইকেলিক অর্ডারে ঘুর্ণায়মান সেই বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি, সম্মুখ ধারণা এবং তার সঠিক প্রয়োগ না থাকলে বিপর্যয় অনিবার্য।

৯০ দশকের আগে আমাদের দেশের ঠিক কতজন ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বকে হাতের মুঠোতে নিয়ে আসার কথা ভাবতে পেরেছে সেটা বলাবাহুল্য। কিন্তু আজ মনে হয় আমাদের দেশের মোট জনগোষ্টির অধিকাংশই এই বিষয়ের উপর নির্ভরশীল। মাত্র দুই/তিন দশকের মধ্যে আমরা কোথা থেকে কোথায় চলে গেছি সেটা যদি সত্যি কেউ কল্পনা করে দেখে তাহলে সে শুধু অবাক নয় রীতিমত বিশ্মিত হবেন। 

৯০'দশকের শেষের দিকে স্থানীয় কিছু পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা বুলেটিন বোর্ড সিস্টেম (বিবিএস) পদ্ধতিতে ডায়াল-আপ এর সাহায্যে ই-মেইল ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করলেও ৫০০'শ এর অধিক ব্যবহারকারী এই সুবিধা পেত না। 

অন্যদিকে ব্যবহারকারী কিলোবাইট হিসেবে চার্জ প্রদান স্বত্বেও তাদের প্রেরিত ই-মেইল স্থানান্তর করা হত আন্তর্জাতিক বিবিএস পরিষেবা প্রদানকারীর সংস্থার ডায়াল-আপ ব্যবহারের মাধ্যমে।

১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইল-এর মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি আই.এস.পি-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে। শুরুতে এই আই.এস.পি গুলি ছিল কেবলমাত্র বি.টি.টি.বি-ই সরকারি মালিকানাধীন।

সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের উদার নীতি এবং ইন্টারনেট প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কল্যাণে ২০০৫ সাল নাগাদ ১৫০ এর অধিক আই.এস.পির নিবন্ধন দেখতে পাওয়া যায়। 

সভ্যতার নিকট হতে সুবিধা ভোগ করা হয়তো ইচ্ছা করলেও বন্ধ করা সম্ভব নয়। যে কোন উপায়ে তার প্রভাব আসবেই। আর তাই আমরাও চেয়েছি যতদ্রুত সম্ভব নিজেদের ডিজিটালাইজ করার জন্য। 
আন্তর্জাতিক সকল অধ্যায় হতে আমরা পিছিয়ে থাকবো সেটা কখনও হতে পারে না। বলা চলে অনেকটা পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করেছি দ্রুততার সাথে। 

এই পর্যন্ত যে বিষয় উল্লেখ করেছি সেখানে আমার কোন দ্বিমত বা কোন অস্থিরতা কাজ করেনি। কারণ আমরা চাই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে। আর সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হলে আমরা কিছুতেই কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত বিশ্বকে অস্বীকার করতে পারবো না বা অস্বীকার করার অধিকার রাখিনা। 

আমার দৃষ্টিকোণ যেখানে নিবন্ধিত হয়েছে সেই অংশ যদি উল্লেখ করি তাহলে অংকটা কেমন দাঁড়ায় সেটা একটু দেখার চেষ্টা করি। 
আমরা এখনও বলতে পারিনা সঠিক ভাবে আমাদের দেশের শিক্ষার হার কত? যেটা বলি সেটা আসলে শিক্ষা বলতে যা বোঝায় তাকে কতটা নির্দেশ করে আমার বোধগম্য নয়। তবুও সেই পরিসংখ্যান বিচার করেই যদি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত বিশ্বকে তাদের মধ্যে উপস্থাপন করি তাহলে প্রশ্ন থেকে যায় যে, আসলেই কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত বিশ্বে ইন্টারনেটের কোন কোন অধ্যায় আমরা করায়ত্ব করতে পেরেছি ? 

উত্তর এমন নয়কি যে ইন্টারনেটের যে সুবিধা আছে তার ৫ শতাংশ আমরা সামগ্রিক ভাবে গ্রহণ করতে পারিনি।

একটা কথা আছে - খেলা শেখার আগেই যদি কেউ খেলার মাঠে কি ভাবে অন্যকে আঘাত করতে হয় সেটার দিকে মননিবেশ করে তাহলে সে কোনদিন ভালো খেলোয়াড় হতে পারবে না। 

আমাদের দেশের মোট জনগোষ্টির মধ্যে ইন্টারনেটের যে অধ্যায় বদ্ধমূল হয়েছে সেগুলো মোটামুটি ভাবে বলা যায় - 
১। বিভিন্ন ওয়েভসাইটের মাধ্যমে বা বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মাধ্যমে কি ভাবে পৃথিবীর অন্যান্য মানুষের সাথে যোগাযোগ করা যায়। 
২। মস্তিষ্কের বিশেষ হরমোন কে প্রলুব্ধ করার জন্য অন লাইন থেকে কিভাবে সেই সংক্রান্ত বিষয়াদি সংগ্রহ করা যায় বা প্রেরণ করা যায়। 
মোটামুটি এই দুইটি বিষয় আমাদের মোট জনগোষ্টির ইন্টারনেট ইউজারদের মধ্যে ৯৫ শতাংশ ঘুর্ণায়মান। যা আমাদের শিক্ষিতের হারের সাথে অনেকটাই সামঞ্জস্য পূর্ণ। 

বাকি ৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিজেকে তথা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার মানসে কর্ম পরিচালনা। 

আপনারা যদি লক্ষ করেন তাহলে দেখতে পাবেন সত্যিকার শিক্ষিত বা উচ্চশিক্ষিত জনগোষ্টির মধ্যেও ধারনা নেই যে ইন্টারনেট কি এবং কি ভাবে আমরা সেখানে আগ্রাসনের স্বীকার হচ্ছি। কি ভাবে নিজেদের অর্থ শুধুমাত্র অজ্ঞতার কারণে তুলে দিচ্ছি আগ্রাসীদের নিকট। 
আমরা শুধু জানি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে ইন্টারনেট সংযোগ দরকার, সেটা ব্রডব্যান্ড বা মোবাইল ডাটা যে ভাবেই হোক। সেই ব্রডব্যান্ডের খরচ, মোবাইল ডাটার খরচ যে ভাবেই হোক আমরা সেটা চাই। ভয়ংকর একটি নেশার মতো যা ছড়িয়ে গেছে সারা দেশে। 
১। আমরা জানিনা স্যাটেলাইট কি। 
২। আমরা জানিনা ভিস্যাট কি। 
৩। আমরা জানিনা সাবমেরিন ক্যাবল কি। 
৪। আমরা জানিনা কারা এর সম্প্রসারণে আছে। 
৫। আমরা জানিনা কি ভাবে প্রত্যেক ঘরে ঘরে হাতে হাতে এই সিগন্যাল পৌছে যায়। 
৬। আমরা জানিনা বাইট, কিলোবাইট, ম্যাগাবাইট, গ্যাগাবাইট, টেরাবাইট ইত্যাদি কি ? 
৭। আমরা জানিনা কোন অধ্যায়ে কি পরিমান এই বাইট খরচ হয়। 
৮। আমরা জানিনা প্রতি বাইটে আমরা আগ্রাসীদের হাতে কত টাকা তুলে দিচ্ছি। 
৯। আমরা জানিনা কম্পিউটার, মোবাইলে যে সকল বিষয়াদি/উপাথ্য আমরা দেখতে পাই সে সকল বিষয়াদি/উপাথ্য কি ভাবে আসে। 
১০। আমরা জানিনা পাশের দোকান থেকে কেনা মোবাইল ডাটা খরচ, বা ব্রন্ডব্যান্ডের খরচ, বা মোবাইল কোম্পানির নিকট হতে ক্রয়কৃত ডাটার অর্থ কোথা থেকে কোথায় যায়। 

অথচ রাস্তা ঘাট, বাসা, দোকান, অফিস আদালত সর্ব স্থানে প্রায় সকলের মাথা নিচু করে থাকতে দেখা যায়। মোবাইল, আইপ্যাড এর আলট্রা রে কতটা ক্ষতি করছে, কি তার ভবিষ্যৎ কোন হিসাবই কারো নেই। বলা চলে নবীন প্রজন্মকে অথর্ব করতে এই ইন্টারনেট সিস্টেম যেন একেবারে কাঁধের উপর এসে চড়ে বসেছে। 

বিজ্ঞান বলে মানুষের মস্তিষ্ক এক সাথে দুইটি কাজ করতে পারে না। অথচ আমাদের সন্তান ব্যাস্ততম রাস্তায় হাঁটছে – একটি হেডফোন বা ব্লুটুথ ডিভাইজ তার কানের সাথে সংযুক্ত করে, একজন গাড়িচালক গাড়ি চালাচ্ছেন কানের সাথে হেডফোন বা ব্লুটুথ ডিভাইজ সংযুক্ত করে। 
যেখানে মাথা ঠান্ডা রেখে চলার কথা অন্যথায় ঘটেযেতে পারে যে কোন দুর্ঘটনা সেখানে মস্তিষ্কে আলাদা কোন সিগন্যাল প্রেরণরত অবস্থায় চলাচল কতটা বিপদের কারণ সেটা চিন্তার খোরাক যোগায়। 

বলা চলে সারাদেশে নবীন প্রজন্মের হাতে ডিজিটাল মোবাইল। যারা লেখাপড়া করছে, নিজেদেরকেও নিজেরা চেনেনা সঠিক ভাবে তাদের হাতে লাগামহীন এই ইন্টারনেট সিস্টেম কি তুলে দিচ্ছে আর তারাই বা কিসের দিকে আকর্ষিত হচ্ছে সেটা বলার কোন দরকার আছে বলে মনে করিনা। 

এক কথায় বলা চলে চরিত্রের অবক্ষয় হতে যে সকল উপকরণ দরকার তার সবটাই বিনা বাঁধায়, বিনা জবাদিহিতায়, অবলীলায় ব্যবহৃত হচ্ছে যেখানে সেখানে। 
বিশ্বজরিপ দেখলে বা নিজেরা একটু লক্ষ করলে দেখা যাবে ভয়াবহ চিত্র। 

একি সাথে বাংলাদেশের সন্তান হয়ে দেশের প্রতি মমত্ববোধ, ভালোবাসা, নিজের ভাষার প্রতি ভালোবাসা হারিয়ে যাচ্ছে প্রতিমুহুর্তে। প্রতিদিন এই সংখ্যা জ্যামিতিক নিয়মে বেড়েই চলেছে। 
সোশ্যাল মিডিয়াতে ৯৮ শতাংশ নবীন প্রজন্ম একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে অর্থাৎ ম্যসেজ আদান প্রদান করে বাংলা বর্ণমালাকে ইংলিশ বর্ণদিয়ে। যার অভিনব নাম বাংলিশ। 
যে নবীন প্রজন্মের হাতে ২৪ ঘন্টা বাংলিশ থাকে বছরের পর বছর তার কাছ থেকে শুদ্ধ বাংলা কতটা আশাকরা যেতে পারে ভেবে দেখতে অনুরোধ করছি। কষ্টার্জিত বাংলা ভাষা আগামী ৫০ বছর পর কতটা আলো ছড়াবে সেটা প্রশ্ন করা যেতেই পারে। 

সূত্র বলে - কোন লোহার স্পর্শে চুম্বক রেখে দিলে লোহাটাও এক সময়ে চুম্বকত্ব লাভ করে। 
আজকের নবীন যখন ক্রমাগত বাধাহীন ভাবে, বাংলিশ নিয়ে সামনে এগিয়ে চলেছে তখন বাংলা ভাষা কোথায় গিয়ে পতন হবে সেটা অংক করেই বলে দেয়া যায়। 

আমার উল্লেখিত বিষয়ে একটা বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়, সেটা হলো- ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্ক বা আধুনিক সভ্যতার কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত বিষয়ের কোন অপরাধ নেই। অপরাধ বা শৈথল্য যদি থেকে থাকে সেটা আমাদের। 
১। আমরা পারিনি নিজেরা জানতে এবং নিজেদের সন্তানদের সেই মোতাবেক জানাতে। 
২। আমরা পারিনি বাংলাদেশ সরকারের কাছে সেই আবেদন করতে যে আবেদনে লেখা থাকবে ক্ষতিকর বা চরিত্রের অবক্ষয় ঘটে এমন সকল বিষয় সেন্সরশিপে আনার জন্য ।
৩। আমরা পারিনি নিজেদের আরাম আয়েশ বিসর্জন দিয়ে সন্তানের দিকে দৃষ্টি নিবন্ধ করতে। 
৪। আমরা পারিনি নিজেরা বুঝতে বা অন্যকে বোঝাতে আমাদের দেশের সম্পদ কি ভাবে আগ্রাসনের স্বীকার হয়। 
৫। আমরা পারিনি একটা বিষয়ে সকলকে শিক্ষিত করে তারপর তার হাতে উক্ত বিষয় তুলে দিতে। 
৬। আমরা পারছিনা ইন্টারনেটের সত্যিকার ব্যবহারে, কম্পিউটারকে সত্যিকার ব্যবহারে শিক্ষিত করতে। যা নিজেকে, দেশকে এনেদিতে পারে আধুনিক এক সভ্য সামাজিকতা। 
৭। আমরা পারছিনা রাষ্ট্রীয় ভাবে বাঁধা নিষেধ দাড় করাতে যা নবীন প্রজন্মকে নিরুৎসাহিত করবে পথে ঘাটে, অফিস আদালতে, স্কুল কলেজে অনিয়ন্ত্রিত/অনুমোদিত নয় এমন নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত থাকতে।

এসব আমাদের অযোগ্যতা, আমাদের শাসনতন্ত্রের অযোগ্যতা, আমাদের অতি আধুনিক সাজার চূড়ান্ত মানুষিকতা। 
আধুনিক উন্নত বিশ্ব চাইবেই জাতি হিসাবে আমাদের অথর্ব তৈরি করতে, আমাদের নেশাগ্রস্থ করতে, আমাদের ঘুমপাড়িয়ে রাখতে। তাহলেই তারা পারবে আমাদের দেশের সকল সম্পদ কুক্ষিগত করতে, আমাদের স্বাধীন দেশে পরাধীন করে রাখতে। 

জাতি হিসাবে আমরা অথর্ব নই, আমরা অজ্ঞ নই, আমরা অসামাজিক নই। এখনও সময় আছে লাগাম টেনে ধরার। প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি সমাজে, এবং সরকারের যদি সদিচ্ছা থাকে তাহলে আমরা পারবো আমাদের প্রজন্মকে সম্মুখ সকল জ্ঞানে সমৃদ্ধ করতে। আমরা পারবো ইন্টারনেট অধ্যায়ে জবাবদিহিতা মূলক অধ্যায় রচনা করতে। 

অন্যথায়, আমাদের পরাজয় আমাদেরকেই দেখতে হবে। দেখতে হবে একটি অতি কুলশিত প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত সমাজ। 

লেখক: তৈমুর মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক, দুর্জয় বাংলা সাহিত্য ও সামাজিক ফাউন্ডেশন।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি