আজ বৃহস্পতিবার, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : মুক্তিযুদ্ধের ন্যায় রোহিঙ্গা সংকটেও সারা বিশ্বের সমর্থন পেয়েছি : প্রধানমন্ত্রী       শৃঙ্খলাবিধির ফলে ন্যায়বিচার কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে : রিজভী       দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান : প্রধানমন্ত্রী       থার্টি ফার্স্টে বন্ধ থাকবে বার, বৈধ অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ       মগবাজার ফ্লাইওভারে চলন্ত বাসে আগুন       রাজধানীতে সেলুনে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩       'আজেবাজে জিদ' করেন না মাশরাফি      
নির্ধারিত সময়ে পদ্মা সেতু খুলে দেয়ার তোড়জোড়
নভেম্বরে বসছে দ্বিতীয় স্প্যান ॥ জানুয়ারিতে গার্ডার
Published : Monday, 9 October, 2017 at 7:44 PM, Count : 349
নির্ধারিত সময়ে পদ্মা সেতু খুলে দেয়ার তোড়জোড়আকতার হোসেন : নির্ধারিত সময়ে (আগামী বছরের ডিসেম্বর) স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দিতে তোড়জোর শুরু করেছে সরকার। ইতিমধ্যে জাজিরা প্রান্তে পদ্মাসেতুতে প্রথম স্প্যান বসানো হয়েছে। আগামী মাসে বসবে দ্বিতীয় স্প্যান। আর ৭ নম্বর মডিউলের ৫টি স্প্যান বসানো শেষ হবে জানুয়ারির মধ্যে। এরপর শুরু হবে গারডার বসানোর কাজ। নির্ধারিত সময়ে সেতু খুলে দিতে হলে আগামী ১৪ মাসে শেষ করতে হবে প্রকল্পের বাকি অর্ধেক কাজ। মূল প্রকল্পের প্রায় অর্ধেক কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে বসানো হয়েছে প্রথম স্প্যান। এমন আরও ৪০ স্প্যানে পূর্ণ হবে পদ্মা সেতু। সরকার চায় আগামী বছরের মধ্যে এই সেতুতে যান চলাচল শুরু হোক। তবে নরম মাটিতে পড়ায় ১৪ পিলারের নতুন ডিজাইন এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বাসানোর মধ্য দিয়ে আকাশে কালো মেঘ কেটে দৃশমান হয়েছে পদ্মা সেতু। সকল বাধা উপেক্ষা করে সেতুর কাজ এগিয়ে চলেছে। যথা সময়েই সেতুর কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।
পদ্মাসেতু প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, পুরো প্রকল্পের সাড়ে ৪৭ ভাগ এবং শুধু সেতুর ৪৯ ভাগ কাজ এখন শেষ হয়েছে। কাজ শুরু হয়েছিল দুই বছর আগে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এই সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা আগামী বছরের ডিসেম্বররে। দীর্ঘ এ সেতু নির্মাণ প্রকল্পে এখন পর্যন্ত ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। স্বাধীনতার পর দেশের সবচেয়ে বড় এই প্রকল্পের নির্মাণ খরচ বহন করছে বাংলাদেশ সরকার।
প্রকল্পের প্রকৌশলী সূত্র জানায়, পদ্মা সেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে ২৬টি পিলারের নকশা (গভীরতা) চূড়ান্ত করা আছে। পুনরায় নকশা প্রক্রিয়াধীন আছে ১৪টি পিলারের ৮৪টি পাইলের। শিগগির ডিজাইন হাতে পাওয়া যাবে। নদীর পাইল ড্রাইভ কাজে এখন পর্যন্ত এটাই অগ্রগতি। সুপারস্ট্রাকচার কাজে পুরোটাই হয় মাওয়া পাড়ে কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে ও চীনে। ৪১টি স্প্যানের প্রথমটি বসানো হওয়ার পর এখনো স্প্যান বসার বাকি ৪০টি। দ্বিতীয় স্প্যান ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিলারে বসবে নভেম্বরে।
নদীতে মূল সেতুর ২৪০টি পাইলের মধ্যে ৭৫টি পাইল ড্রাইভ হয়েছে। নদীর দুই পাড়ে সেতুতে উঠার ট্রানজিশন পিলারে ৩২টি পাইলের মধ্যে ১৬টির কাজ শেষ হয়েছে। সব মিলিয়ে ২৭২টি পাইল পদ্মা সেতুতে। পদ্মা সেতু প্রকল্প সূত্র জানায়, নদীতে যে ২৪০টি পাইল তার মধ্যে জাজিরা পাড়ের কাছে ৩৭ এবং ৩৮ নম্বর পিলারের কাজ শেষ হওয়ার পর প্রথম স্প্যানটি বসানো হয়েছে। এরপর ৩৯, ৪০ ও ৪১ নম্বর পিলারের কাজ শেষ পর্যায়ে। আগামী জানুয়ারির মধ্যে আরও ৩টি স্প্যান বসানো হয়ে গেলে জাজিরা পারে আর কাজ নেই। ৩৪ নম্বর পাইল থেকে ৪১ নম্বর পাইল পর্যন্ত ৬টি স্প্যান লাগবে। এ অংশ জাজিরা নদীপাড়ের দিকে। জাজিরা পাড়ের ৭টি স্প্যানের সবগুলো প্রস্তূত। ৩৫ নম্বর পিলার থেকে ৪১ নম্বর পিলারে এগুলো বসবে। ৩৭-৩৮ এর মধ্যে একটি বসে গেলো। বাকি ৬টি স্প্যান চীন থেকে এনে মাওয়া ট্রার্স ফেব্রিকেশন ইয়ার্ডে জোড়া লাগিয়ে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আরও ৩টি স্প্যান চীন মাওয়ায় এসেছে। চীন থেকে আরও ১২টি স্প্যান শিগগির বাংলাদেশের পথে রওনা দেবে। ১৫০ মিটার লম্বা একটি স্প্যানের ওজন ৩২০০ টন। মাওয়া থেকে নদীর মধ্যে এসব স্প্যান নিয়ে যাওয়ার জন্য যে বিশেষ লিফটিং ফ্লোটিং ক্রেন ব্যবহৃত হয়, এটিও বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শক্তির ক্রেন। যার ধারণ ক্ষমতা ৩৬০০টন। ৩৪, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর পিলারে প্রতিটিতে ৬টি পাইলের মধ্যে ৩টি করে ড্রাইভ শেষ হয়েছে। মাওয়ার দিকে ১৫ নম্বর পিলার থেকে নদীর মাঝখানে ৩৩ নম্বর পিলার পর্যন্ত এখনো কোন পাইল ড্রাইভ হয়নি। ১৩ ও ১৪ নম্বর পিলারে ৩টি করে ড্রাইভ হয়েছে। আবার ৮ থেকে ১২ নম্বর পিলার পর্যন্ত কোন পাইল ড্রাইভ হয়নি। ৬ এবং ৭ নম্বর পিলারে ৩টি পাইল করে ড্রাইভ করা হয়েছে। মাওয়ার দিকে ৩ থেকে ৫ নম্বর পিলারে প্রতিটিতে ৬টি করে পাইল পুরোপুরি ড্রাইভ হয়ে গেছে। বাকি আছে মাওয়া অংশে নদীর মধ্যে প্রথম পিলারটি পাইল ড্রাইভের কাজ। পদ্মায় রয়েছে ৪টি হ্যামার। এগুলোর ওজন যথাক্রমে-২৪০০ টন, ১৯০০ টন, ১০০০ টন ও ৩০০০ টন। নভেম্বরের শেষ দিকে আকেটি হ্যামার জার্মানি থেকে আসবে।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি