আজ বুধবার, ৩ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৮ অক্টোবর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : ৩৬তম বিসিএসে ২৩২৩ জনকে নিয়োগের সুপারিশ       জবি ছাত্রলীগের নতুন কমিটি: সভাপতি তরিকুল সম্পাদক রাসেল       কাল শেখ রাসেলের ৫৩তম জন্মদিন       বুধবার ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ       সুপ্রিম কোর্টের নতুন রেজিস্ট্রার জেনারেল জাকির হোসেন       নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণ মামলার যুগান্তকারী রায়       পুরান ঢাকায় এম কে টাওয়ারে আগুন      
গাজীপুরে কোচিং বাণিজ্য জমজমাট
Published : Thursday, 12 October, 2017 at 6:48 PM, Count : 131
গাজীপুর সংবাদদাতা : সরকারি নিয়মবহির্ভূত ভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্য সহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ পাওয়া গেছে কোনাবাড়ি বাঘিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম লিটনের বিরুদ্ধে।
এলাকাবাসি জানান, বাঘিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিশেষ ক্লাসের নামে সকাল-সন্ধ্যা বিদ্যালয়ের কক্ষেই বাধ্যতামূলক কোচিং করানো হয়। সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বিশেষ ক্লাসের নামে ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত বাধ্যতামূলক দুই ঘন্টা কোচিং করানো হয়। এর বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে মর্মে অভিযোগ রয়েছে। বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৮ম ও নবম-দশম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ক্লাস করানো হয়। কোচিং এর নামে ৬ষ্ট ও ৭ম শ্রেণির ৩২০জন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৪৮ হাজার টাকা, ৮ম শ্রেণির ২০৮জন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৮৩ হাজার টাকা, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ৩৬০জন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এক লাখ ৮০ হাজার প্রত্যেক মাসে ৩ লাখ ১১ হাজার টাকা ফাঁদ পেতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে আদায় করা হচ্ছে। আদায়কৃত এসব অর্থ লিটন মাস্টারের মাধ্যমে ভাগাভাগি করে লুটপাট করা হয়। এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে জানান, ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম লিটন শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে বাধ্যতামূলক কোচিং করাচ্ছেন। কোচিংয়ে তেমন লেখাপড়া হয় না শুধু সময় কাঁটিয়ে মাস গেলেই টাকার জন্যে চাপ দেয়া হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একই ইউনিফর্মে এত লম্বা সময় বাধ্য হয়ে থাকতে হয় কিছুই বলতে পারি না। অপর এক শিক্ষার্থী জানান, সকাল বিকেল অতিরিক্ত কাচিং করানোর ফলে অনেক সময় মানসিক চাপের মধ্যে থাকি এমন ভাবে চলতে থাকলে মানসিক সক্ষমতা হারাতে হবে। সংশিষ্টদের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগও কম নেই। যৌন হয়রানির অপবাদ মাথায় নিয়ে লিটন মাস্টার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পরিচালনা করছেন। জানা যায়, ২০১৬ সালে ওই বিদ্যালয়ের তৎকালিন প্রধান শিক্ষক বাবুল হোসেন বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে ছাত্রীদের ডেকে নিয়ে যৌন আপত্তিকর প্রস্তাব দেন। ওই সময় এক ছাত্রী কৌশলে তার মোবাইল ফোন দিয়ে বাবুল মাস্টারের কথা ভয়েস রেকর্ড (বন্দি) করে। তা বিভিন্ন ফোনে ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে এলাকার বাতাস গরম হয়ে উঠে। পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পড়ে প্রধান শিক্ষক বাবুল মাস্টারকে বিদ্যালয় থেকে বিতারিত করা হয়। অভিযোগে জানা যায়, ওই ভয়েস রেকর্ডে লিটন মাস্টারের নামও উল্লেখ করে এক ছাত্রী। ম্যানেজিং কমিটি সভাপতি সামসুল হক জানান, কোচিং বাণিজ্য নয় এটা বিশেষ ক্লাস। বিশেষ ক্লাস করে টাকা নেওয়ার নিয়ম আছে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি