আজ বুধবার, ৩ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৮ অক্টোবর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : ৩৬তম বিসিএসে ২৩২৩ জনকে নিয়োগের সুপারিশ       জবি ছাত্রলীগের নতুন কমিটি: সভাপতি তরিকুল সম্পাদক রাসেল       কাল শেখ রাসেলের ৫৩তম জন্মদিন       বুধবার ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ       সুপ্রিম কোর্টের নতুন রেজিস্ট্রার জেনারেল জাকির হোসেন       নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণ মামলার যুগান্তকারী রায়       পুরান ঢাকায় এম কে টাওয়ারে আগুন      
২০ দলীয় জোট নেতাদের গ্রেফতার নিয়ে নানামুখি আলোচনা
Published : Friday, 13 October, 2017 at 10:36 PM, Count : 62
আজাদুর রহমান : বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরীক জামায়াতে ইসলামী, এনডিপি ও লেবার পার্টির শীর্ষ নেতাদের হঠাৎ গ্রেফতার নিয়ে নানামুখী আলোচনা চলছে রাজনীতির অন্দরমহলে। বিশেষ করে নির্বাচনের প্রায় বছর খানেক আগেই বিরোধী জোটের উপর সরকারের হঠাৎ কঠোর নীতি প্রয়োগ করাকে বিশ্লেষকদের কেউ কেউ নির্বাচনী রাজনীতির অংশ হিসেবে দেখছেন। আবার কারো কারো মতে, সরকার বিরোধী শক্তিকে রাজপথে শক্ত অবস্থান নেয়ার আগেই দুর্বল করে রাখার নীতি নিয়েছে। বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর নেতারাও এমনটা মনে করছেন। তবে ২০ দলীয় জোট ভাঙতে সরকার নানামুখী তৎপরতা চালাচ্ছে বলে বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে। সর্বশেষ জামায়াতসহ কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার এবং মাস তিনেক আগে কল্যাণ পার্টির মহাসচিবের গুম হওয়াকে ২০ দলের নেতারা জোট ভাঙার সরকারি তৎপরতা হিসেবে দেখছেন বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতাসীন দলের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতি শক্তিগুলো এখনো অগোছালো। সাংগঠনিক দিক বিবেচনায়ও তারা অপেক্ষাকৃত দুর্বল। এই একাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঘরোয়া কর্মসূচির মাধ্যমে নেতা-কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর ব্যস্ত দলগুলো। কিন্তু সরকার বিরোধী নেতা-কর্মীদের মনোবলে দীর্ঘমেয়াদি চিড় ধরাতেই হঠাৎ কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয়। একই সাথে বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির ঘটনাও বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। অবশ্য কোনো কোনো বিশ্লেষকদের মতে, নেতা-কর্মীদের মনোবলে চিড় ধরানো ছাড়াও নির্বাচনী রাজনীতি পুরোটাই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতেই সরকার হঠাৎ তার বিরোধীদের প্রতি কঠোর নীতি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীনরা বিরোধী কোনো কোনো দলের সাথে নির্বাচনী চুক্তি করার চেষ্টা করবে। জোট ভাঙার একটা চেষ্টা থাকবে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের সময় জামায়াতকে বিএনপির কাছ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করবে সরকার। কারণ, গত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগেও বিএনপির সাথে সংলাপের জন্য সরকারের প্রথম শর্ত ছিল জামায়াতকে জোট থেকে বাদ দেয়া। এখন নির্বাচনের এক বছর আগে থেকেই আবার সেই জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার নিয়ে আবার নানা রকম গুজব-গুঞ্জনের ডালপালা মেলছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মোস্তাহিদুর রহমান বলেন, দৃশ্যত বিরোধী জোটের নেতা-কর্মীদের মনোবল দুর্বল করতেই এখন বিরোধী নেতাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তবে পর্দার আড়ালের গ্রেফতারকৃতদের সাথে সরকারের বিভিন্ন এজেন্সির লোকজন যে নির্বাচনী বিভিন্ন টোপ নিয়ে কথা বলবে না, তার কোনো গ্যারান্টি নেই। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন থেকেই বিএনপিকে জামায়াত ছাড়ার কথা বলছে। কিন্তু বিএনপি যদি জামায়াত ছেড়ে দেয় তবে আওয়ামী লীগ আবার জামায়াতের সাথে আঁতাত করতে পারে-এই শঙ্কায় বিএনপি জামায়াত ছাড়ছে না। তাছাড়া জামায়াতের ভোট ব্যাংক ও পাশাপাশি আদর্শিক কারণেও তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত সম্পর্ক বেশ অটুট আছে। এই অবস্থায় সরকার হয়তো কিছু একটি করতে চায়, যা সময়ের ব্যবধানে দেখা যাবে।
গত সোমবার রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে জামায়াদের আমির মকবুল আহমাদ, নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার, সেক্রেটারি ডা. শফিকুর রহমানসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে আটক করে পুলিশ। এর আগের সপ্তাহে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, নায়েবে আমির মনজুরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ কয়েকজন নেতাকে আটক করা হয়। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রামে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান ও এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈশাকে আটক করে পুলিশ। পরে অবশ্য ইরানকে ছেড়ে দেয়া হয়। এর মাস তিনেক আগ থেকেই কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আমিনুর রহমান নিখোঁজ রয়েছেন। জোটের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেছেন, ‘জোট ভাঙতে এবং শরীক দলের নেতাদের ভয় দেখাতেই কল্যাণ পার্টির মহাসচিবকে সরকারি বাহিনী গুম করেছে।’ এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত একসাথে আন্দোলন করেছে। তাদের এখন সম্পর্ক মধুর না হলেও এক সময় বেশ ঘনিষ্ট ছিল। তাই সামনে দিনে কার সাথে কার কেমন সম্পর্ক হবে তা বলা মুশকিল। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে হঠাৎ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি আর বিরোধী নেতাদের গ্রেফতার করার নীতি নিয়েছে। তবে সব নীতির পাল্টা নীতিও আছে। এর বেশি কিছু বলতে চাই না। আর কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, ‘রাজনীতিতে অনেক কিছুই করা হয়। পাল্টাপাল্টি রাজনীতিতে, এক-পক্ষ আরেক পক্ষকে ঘায়েল করার জন্য অনেক কিছুই করে। সরকার এখন রাজনৈতিকভাবে খুব শক্তিশালী। সব শক্তি সরকারের হাতে। সরকার অনেক কিছুরই চেষ্টা করতে পারে। এর বেশি তথ্য আমাদের কাছে আসে না।’ এ প্রসঙ্গে মুস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ‘আমাদের জোট করার পেছনে অন্যতম লক্ষ্য, এই সরকারের দু:শাসন থেকে দেশবাসীকে মুক্ত করা। যেহেতু এখনও এই উদ্দেশ্য সফল হয়নি, সে কারণে ভাঙা-গড়ার বিষয়টি এখনও বলা যাচ্ছে না।’



বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ
ভোরের ডাক ডেস্ক : বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে (জিএইচআই) গত বছরের চেয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বের উন্নয়নশীল ১১৯টি দেশের তালিকায় গত বছর বাংলাদেশ ৯০তম অবস্থানে থাকলেও এবার দুই ধাপ এগিয়ে ৮৮তম স্থনে পেয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই) চলতি বছরের গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (জিএইচআই) প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অগ্রগতির খবর দেয়া হয়েছে। সূচকে প্রতিবেশি ভারতের ক্ষুধার হার সম্পর্কে বলা হয়েছে, ভারতের (১০০তম) ক্ষুধা সমস্যা মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এশিয়ায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে থাকা দেশগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থান তৃতীয়। ১১৯ দেশের বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ক্ষুধায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে আছে আফগানিস্তান (১০৭তম), পাকিস্তান (১০৬তম)। প্রতিবেশি দেশগুলোর পেছনে রয়েছে ভারত (১০০তম)। নেপাল (৭২তম), মিয়ানমার (৭৭তম), বাংলাদেশ (৮৮তম), শ্রীলঙ্কা (৮৪তম) এবং চীন (২৯তম) অবস্থানে আছে। স্কোর ৯.৯ অথবা তার চেয়ে কম হলে ক্ষুধা সমস্যাকে ‘কম ক্ষুধা’; ৩৫ থেকে ৪৯.৯ স্কোরকে ‘আশঙ্কাজনক’ এবং ২০ থেকে ৩৪.৯ স্কোরকে ‘গুরুতর ক্ষুধা’ সমস্যা হিসাবে নির্ধারণ করেছে জিএসআই। সূচকে বাংলাদেশ পেয়েছে ২৬ দশমিক ৫ স্কোর; আগের বছরের তুলনায় স্কোরে অগ্রগতি হয়েছে। গত বছর বাংলাদেশের এই স্কার ছিল ৩২ দশমিক ২। সবচেয়ে বেশি ক্ষুধায় জর্জরিত যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র (১১৯তম)। এরপরই আছে চাদ (১১৮তম), সিয়েরালিওন (১১৭তম), মাদাগাস্কার (১১৬তম) ও জাম্বিয়া (১১৫তম)। জনসংখ্যার পুষ্টিহীনতা, শিশু মৃত্যুসহ চারটি সূচকের সমন্বয়ে জিএইচআই তৈরি করা হয়েছে। জিএইচআই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের ক্ষুধার মাত্রা ২০০০ সালের চেয়ে ২৭ শতাংশ কমে এসেছে।

মিয়ানমার সেনা প্রধান আবারো বললেন রোহিঙ্গারা বাঙালি
ভোরের ডাক ডেস্ক : রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে বাঙালি দাবি করে তারা মিয়ানমারের জন্য ক্ষতিকর বলে মন্তব্য করেছেন, দেশটির সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে গতকাল বৃহ্স্পতিবার একটি পোস্টে তিনি ওই দাবি করেন বলে রয়র্টাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়। এর আগে সকালে মিয়ানমারে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত স্কট মার্সিয়েলের এক বৈঠক করেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান। এরপর সেই আলোচনা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন তিনি। রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাঙালি দাবি করে সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং বলেন, তারা মিয়ানমারের জনগোষ্ঠী নয়। তারা মিয়ানমারের জন্য ক্ষতিকর। আর সাবেক ব্রিটিশ ঔপনিবেশিই এ সমস্যার জন্য দায়ী। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংখ্যা গণমাধ্যম অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, নথিপত্র প্রমাণ করে,তারা কখনো রোহিঙ্গা নামেও পরিচিত ছিল না। ঔপনিবেশিক আমল থেকেই তারা বাঙালি ছিল। মিয়ানমার তাদের এ দেশে নিয়ে আসেনি। ঔপনিবেশিক আমলেই তারা এসেছিল। এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বরও রোহিঙ্গা মুসলমানদে বাঙালি বলে দাবি করেন সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং। ওই দিনি তিনি বলেছিলেন, রোহিঙ্গারা স্বীকৃতি দাবি করছে অথচ তারা কখনো মিয়ানমারের নৃগোষ্ঠী ছিল না। এটি ‘বাঙালি’ ইস্যু। আর এই সত্য প্রতিষ্ঠায় একতাবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, পালিয়ে আসা ৬৫ জন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি করা এক প্রতিবেদনে বুধবার জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতর জানায়, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উৎখাতে ঘরবাড়ি, শস্য ও গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। গত ২৫ আগস্ট রাতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি ও তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার পর সেখানে নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হয়, চলে দমন-পীড়ন। এই পরিস্থিতিতে প্রায় প্রতিদিনিই মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশ আসছে রোহিঙ্গারা।  





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি