আজ বুধবার, ৩ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৮ অক্টোবর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : ৩৬তম বিসিএসে ২৩২৩ জনকে নিয়োগের সুপারিশ       জবি ছাত্রলীগের নতুন কমিটি: সভাপতি তরিকুল সম্পাদক রাসেল       কাল শেখ রাসেলের ৫৩তম জন্মদিন       বুধবার ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ       সুপ্রিম কোর্টের নতুন রেজিস্ট্রার জেনারেল জাকির হোসেন       নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণ মামলার যুগান্তকারী রায়       পুরান ঢাকায় এম কে টাওয়ারে আগুন      
রোহিঙ্গা সংকট : জেগে উঠছে বিশ্ব বিবেক
Published : Friday, 13 October, 2017 at 10:55 PM, Count : 46
ইফতেখার হোসেন সিদ্দিকী
এবারও বাংলাদেশ নিপীড়িত, নির্যাতিত, দুঃখভারাক্রান্ত, গভীর হতাশায় নিমজ্জিত, অনিশ্চিত জীবনের পথে এগিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বিপদের মুখে নিজ দেশ রাখাইনে উগ্র জাতীয়তাবাদীদের কবলে ঠেলে দিতে পারেনি। এখন প্রতিদিনকার চিত্রই হলো মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী কর্তৃক বিতাড়িত হয়ে বিপদ সংকুল পথ মারিয়ে কক্সবাজার জেলায় হাজার হাজার রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ। পরিসংখ্যান বলছে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ১০ লক্ষ হবে। কেবল গত ২৫ আগষ্টের পর থেকে ৪ লক্ষের উপর রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ঘটেছে। অতিরিক্ত এই বিপুল জনগোষ্ঠীর চাপ বাংলাদেশকে বইতে হচ্ছে। ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এই নীতিই বাংলাদেশ ধারণ করেছে। আমাদের এই উদারতা বিশ্ববাসীর নজর এড়ায়নি। তাইতো রোহিঙ্গা প্রশেè আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো থেকে শুরু করে অনেক বিশ্ব নেতাই পাশে দাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির মেরুকরণে চীন, রাশিয়া, ভারতের মত দেশ মিয়ানমারের পক্ষাবলম¦ন করেছে। যদিও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুসমা স¦রাজ রোহিঙ্গাদের এই সংকটকালে বাংলাদেশের পক্ষে থাকার কথা বলেছেন। রোহিঙ্গা সংকটটি যে একটি মানবিকতার সংকটে রূপ নিয়েছে তা ইতিমধ্যেই বিশ্ব নেতারা উপলদ্ধিতে আনতে পেরেছেন। এই রকম একটি সংকটকালেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেপ্টেম¦রের প্রথমার্ধে মিয়ানমার সফর করেন এবং শান্তিতে নোবেল জয়ী অহিংসার নেত্রী অং সাং সূচির অনৈতিক কর্মকান্ডকে সমর্থন করে আসেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মনে রাখা উচিত যে, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে ভারতের জনক মহাত্মা গান্ধীর অহিংসা আন্দোলনের নীতির কথা। তিনি অহিংসা পথে আন্দোলন করে বৃটিশদের উপমহাদেশ থেকে তাড়াতে সমর্থ হয়েছিলেন। যদিও তার ভাগ্যে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জোটেনি। নোবেল কমিটি আজও আফসোস করেন কেন তারা মহাত্মা গান্ধীর মত উঁচু মাপের একজন ব্যক্তিত¦কে শান্তিতে নোবেল প্রাইজ দিতে পারলেননা।
তাছাড়া ভারত বাংলাদেশের মুক্তযুদ্ধকালীন সময়ে এদেশের এককোটি শরনার্থীকে আশ্রয় দিয়ে যে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছিলেন তা আজও তাদের একটি গৌরবের বিষয় হয়ে আছে। বিশ্ব প্রেক্ষাপটে সংকট থাকবে, স¦ার্থ থাকবে, প্রতিযোগীতা থাকবে কিন্তু কোন কিছুই মানবিকতার সংকটের উর্ধেŸ নয়। বিশ্বের যত বড় বড় মহান নেতা আছেন তারা এই কথাটিকে গভীরভাবে উপলদ্ধিতে আনতে পেরেছিলেন। যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করে উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের একের পর এক ক্ষেপনাস্ত্র উৎক্ষেপনের বিষয়টি গোটা বিশ্বে আলোচিত এবং একটি তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের আশংকা অনেক সমরবিদরা করছিলেন এই সময়ে রাখাইন রাজ্যে সূচি সরকারের নির্বিচারে রোহিঙ্গা নিধনের বিষয়টিও সমালোচিত এবং এক্ষেত্রে মিয়ানমারের পাশে চীন এবং রাশিয়ার একতরফা অবস্থান একটি গভীর ষড়যন্ত্রের রাজনৈতিক টার্ন বলে অনেকে মনে করছেন। তবে আজ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ থেকে শুরু করে ইউরোপীয় ইউনয়িন, বৃটিশ পার্লামেন্ট, কানাডা, ফ্রান্স, ইরান, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ মানবাধিকার সংস্থা গুলো বিষয়টিকে পুরোপুরি ‘এথেনিং ক্লিনসিং’ বা ‘জাতিগত নিধন’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বার বার মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে সীমানা অতিক্রম না করার আহবান জানিয়েছেন। রোহিঙ্গা নির্যাতনে আন্তর্জাতিকভাবে নজীরবিহীন চাপে পড়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনী প্রধান মিন অং হøাইয়াং রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পুরো জাতিকে ঐক্যের ডাক দেন। তিনি বলেন ‘রোহিঙ্গা বলে কেনো জাতিসত্তা মিয়ানমারে কখনো ছিলনা। যারা রোহিঙ্গা হিসেবে স¦ীকৃতি দাবি করছে তারা কখনো মিয়ানমারের নৃগোষ্ঠী ছিলনা। এটি বাঙ্গালি ইস্যু’। তার এই বক্তব্য একদিকে অন্তসারশূন্য অন্যদিকে দুরভিসন্ধিপূর্ণ। তিনি হয়ত মিয়ানমারের রাখাইনের প্রকৃত ইতিহাস জানেননা। জানলেও না জানার মত  ভান করেছেন, পূর্বসুরিদের পথ অনুসরন করেছেন। মিন তার বক্তব্যের মাধ্যমে সরকার প্রধান সূচিকে একটি পরিস্কার বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন যেন তার বক্তব্যের সুর এবং সূচির বক্তব্যের সুর একই হয়। আশ্চর্যের বিষয় এই যে, অং সান সূচি ১৯/০৯/১৭ তারিখে জাতির উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখলেন (যা ছিল প্রতীক্ষিত, কেননা এবার রোহিঙ্গা সংকটের পর থেকে সূচি এক প্রকার নিরব ছিলেন)। রোহিঙ্গা বিষয়ে সেনাবাহিনী প্রধানের মত সূচি অনেক জায়গাতে মিথ্যার আশ্রয় নিলেন বা চতুরতা প্রকাশ করলেন। তার বক্তব্যের ব্যাখায় না গিয়ে আমি শুধু এটুকু বলতে চাই সরকার প্রধান হিসেবে সূচি ‘না’ বোধক শব্দ ব্যবহার করে চরম দুর্বলতা প্রকাশ করেছেন। তার বক্তব্যের মাধ্যমে এটা পরিস্কার তিনি সেনাবাহিনীর ইশারাতেই চলছেন। প্রশ্ন হলো যুগপৎ এই ছল ছাতুরীর প্রয়োজন হলো কেন? বিষয়টি পরিস্কার সেটা হলো মুসলমানরা জঙ্গি সন্ত্রাসীর ধোঁয়া তুলে মিয়ানমারের রাখাইনকে রোহিঙ্গা শূন্য করা। আর শুদ্ধি অভিযানের নামে যে গনহত্যা চালিয়েছে তার বৈধতা দেওয়া। তারা এ যাত্রায় বিশ্ব জনমতকে উপক্ষো করে তিলকে তাল বানিয়ে একটা ফায়দা লোটার চেষ্টা করেছেন। বলা যায় এতে তারা অনেকটাই সফল। কেননা রাখাইনে রোহিঙ্গাদের দুইশত এরও অধিক গ্রাম জালিয়ে পুড়িয়ে দিয়ে, নির্বিচারে নারী পুরুষ শিশুকে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করে মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও মøান করে দিয়ে জনমনে এক ভয়াবহ আতংকগ্রস্থ পরিবেশ তৈরি করে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পুশ ইন করতে বাধ্য করেছেন। যার সরাসরি প্রত্যক্ষদর্শী এবং ভুক্তভোগী বাংলাদেশের মানুষ। তাদের অভিযোগ ২৪ আগষ্ট বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি বা আরসার সদস্যরা মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর উপর হামলার চেষ্টা করে। যদি তাই হয় তাহলে একটি দেশের আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের কি করা উচিত? নিশ্চই বিদ্রোহী বা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আদালতের কাছে সমর্পন করবে এটাইতো স¦াভাবিক। কিন্তু মিয়ানমার এটিকে উছিলা করে নিরীহ জনগনের উপর হামলা করে নিজ দেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন। এই নজির বিশ্বে বিরল। অনেক দেশেই তো বিদ্রোহী গ্রুপ বা জঙ্গীগোষ্ঠী রয়েছে। দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার ভারতে বিশেষ করে সেভেন সিস্টারে বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপ স¦ক্রিয় ছিল। ভারত মোটামুটি তা নিস্ক্রিয় করে দিয়েছে। শ্রীলংকা সরকার বহু বছর যাবৎ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন তামিল টাইগারদের মোকাবেলা করেছে। তারা তো সাধারণ নিরপরাধ জনগনকে দেশ হতে বের করে দেয়নি। শুধু মিয়ানমারের ক্ষেত্রে কেন এই অনিয়ম? তাদের শক্তির উৎস কোথায়? আরাকানে রোহিঙ্গাদের অবস্থানের শত শত বছরের ইতিহাসের কথা বাদই দিলাম। সাধারণ কথা হলো একটি শিশু যে দেশে বা ভূমিতে জন্মগ্রহন করে জন্মসূত্রেই তো সে ঐ দেশের নাগরিক। আর মিয়ানমারের নাগরিকত¦ কি মার্কিন গ্রীন কার্ডের নাগরিকতে¦র সমপর্যায়ে চলে গেছে! দেশটিতে ৯০% বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী এবং বৌদ্ধ ভিক্ষুদের দ্বারা একটি উগ্র জাতীয়তাবাদ আজ সেখানে যেঁকে বসেছে। তাদের চিন্তা চেতনায় শুধুই বুদ্ধিজম। কিন্তু গৌতমবুদ্ধের যে মূল কথা অর্থ্যাৎ ‘অহিংসা পরম ধর্ম’, ‘জীব হত্যা মহাপাপ’ বা ‘জগতের সকল প্রাণী সুখে থাক’ এই ধরনের বানী থেকে তারা আজ অনেক দুরে চলে গেছে। ২% রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাদের সেনা প্রধান ঐক্যের ডাক দেন। বিষয়টি কতটুকু যুক্তিযুক্ত? তাহলে মুসলমান হওয়াই কি রোহিঙ্গাদের অপরাধ? মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং নেতৃস্থানীয় বৌদ্ধ ভিক্ষুরা কি মনে করছে রোহিঙ্গাদের কারণে সেখানে ইসলামের প্রসার ঘটবে? বিশ্বের অনেক দেশেইতো বহু মানুষ দ্রুত ইসলামের পতাকাতলে ছুটে আসছে। ইউরোপের ক্ষমতাধর রাষ্ট্র ফ্রান্সে ইসলাম আজ দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। এর জন্য ফ্রান্সের সরকার কি মুসলমানদের বিতাড়িত করছে? তাদের নাগরিকতে¦র অধিকার কেড়ে নিচ্ছে? এটি সম্ভব নয় কারণ আধুনিক রাষ্ট্র চিন্তন ব্যবস্থায় একটি নির্দিষ্ট ভূখন্ড, ভূখন্ডের সামগ্রিক জনগণ, তাদের ভাষা, ঐতিহ্য, পরিবেশ, কৃষ্টিকালচার  অত্যন্ত গুরুত¦পূর্ণ। সামগ্রিক জনগণ রাষ্ট্রের প্রতিনিধিস¦রূপ।
ধর্মের পরিচয় এখানে বড় কথা নয়। ধর্ম যার যার ভূখন্ডটি বা দেশটি সবার। মিয়ানমারকে আজ এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধিতে আনতে হবে। তারা যদি মনে করে আমাদের সাথে চীন, রাশিয়া কিংবা ভারত আছে আমরা যা খুশি তাই করবো-এটা ভাবা সমীচিন হবেনা। মনে রাখতে হবে চীন, ভারত, রাশিয়া আজ নিজেদের স¦ার্থে মিয়ানমারকে ব্যবহার করছে। যার মাশুল একদিন মিয়ানমারকে হয়তো দিতে হতে পারে। বিশ্ব জনমতকে উপেক্ষা করে সাংবাদিকদের রাখাইনে প্রবেশ করতে না দিয়ে তারা যে গণহত্যা চালিয়েছে তা আজ বিশ্ববাসীর কাছে পরিস্কার। ইতিমধ্যে এই অভিযোগে দেশটির নেত্রী অং সান সূচির সরকার ও তার সেনাবাহিনীকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিয়েছে মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক গণআদালত। ইতিহাসে অনেক ক্ষমতাধর নেতার সন্ধান পাওয়া যায়। যারা ক্ষমতার দম্ভে গণহত্যা চালিয়েও শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ইতিহাস তাদের কখনো ক্ষমা করেনি। তারা নিক্ষিপ্ত হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুঁেড়। হালাকু খান, চেঙ্গিস খান, হিটলার, মুসোলিনী, ফিল্ড মার্শাল আইযুব খানদের মানুষ আজ ঘৃনা ভরে স¥রণ করে। বিশ্ববাসী আজ আরেকটি গণহত্যা প্রত্যক্ষ করল। যার নেতৃত¦ দিলেন শান্তিতে নোবেল জয়ী অং সান সূচি এবং তার দোসর সেনাবাহিনী প্রধান মিন অং গংরা। ইতিহাসের ধারবাহিকতায় এর দায় তারা এড়াতে পারবে না। এখানে লক্ষনীয় মিয়ানমার বাংলাদেশের একটি নিকটতম প্রতিবেশী রাষ্ট্র। প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে মিয়ানমান কিন্তু আমাদের সাথে প্রতিবেশীসুলভ আচরণ করছেনা। তাদের প্রতিটি অনৈতিক কর্মকান্ডের জবাব আমাদের দৃঢ়ভাবে দিতে হবে। অনতিবিলমে¦ তাদের উচিত বাংলাদেশে শরনার্থী হিসেবে অবস্থানরত সকল রোহিঙ্গাদের সম্মানের সাথে তাদের দেশে ফেরত নেওয়া এবং সে সাথে তাদের নাগরিকত¦ প্রদানসহ সকল নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়া। তাদেরকে বাঙ্গালী বলে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার আর না করা।

লেখক : নিবন্ধকার, কলামিস্ট
 iftekhar2311@gmail.com


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি