আজ শুক্রবার, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৪ নভেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : সততা ও উন্নয়নের কারণেই আগামীতেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা       চট্টগ্রাম পর্বের শুরুতে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে খুলনা       ফতুল্লায় ভেকু চাপায় শ্রমিকের মৃত্যু, লাশ গুম চেষ্টার অভিযোগ       রংপুর-খুলনা ম্যাচ দিয়ে বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্ব শুরু       ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে বারী সিদ্দিকীর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত       কালিয়াকৈরে ট্রেন-ট্রাক সংঘর্ষ, ট্রেনের সহকারী চালক নিহত       জিয়াউর রহমানের ছোট ভাই কামাল আর নেই      
ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে ১০ উপকারিতা
Published : Thursday, 26 October, 2017 at 4:08 PM, Update: 26.10.2017 4:12:58 PM, Count : 291
ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে ১০ উপকারিতাভোরের ডাক ডেস্ক : দুগ্ধজাত খাবার ঘি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

ঘিয়ের উপকারিতার মধ্যে রয়েছে- হজমের জন্য ঘি উপকারী ঘি। ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে বাটাইরিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড হজম ক্ষমতা বাড়ায়।  ভিটামিন- ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর ঘি।কোলস্টেরল দু ধরনের- উপকারি ও ক্ষতিকর।

ঘিতে রয়েছে উপকারি কোলস্টেরল। ঘিতে রয়েছে কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড। এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে।যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।

ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব এনার্জি বাড়ায়। এর ফলে ওজনও কমে। ঘিতে সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ রয়েছে। এতে রুচি বাড়ায়। অথচ অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো ঘি থেকে অ্যালার্জি সাধারণত হয় না। ঘি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।ওজন কমানোর জন্য ঘি খেতে পারেন নিয়মিত।

তবে মনে রাখতে হবে এটি পরিমিত খাওয়া যাবে। বাড়তি খাওয়া ক্ষতিকর।চিনিযুক্ত খাবারের সঙ্গে ঘি খাওয়ার চেয়ে অন্যান্য খাবারে খাওয়া উপকারি।  ঘি বহু প্রাচীন কাল থেকেই পজিটিভ ফুড হিসেবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে ইতিবাচকতা বাড়ে।

ঘিয়ের বহু উপকারিতা রয়েছে, যা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না। 

ঘিয়ের উপকারিতা গুলো :

১. স্ফুটনাঙ্ক- ঘি-এর স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি। ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত ঘি গরম করা যায়। অধিকাংশ তেলই এই তাপমাত্রায় গরম করলে ক্ষতিকারক হয়ে যায়। 

২. নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।

৩. স্বাদ- সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ অথচ অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

৪. ভিটামিন- ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর।

৫. কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড- এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে। যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।

৬. ওজন ও এনার্জি- ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব এনার্জি বাড়ায়। অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে।

৭. হজম ক্ষমতা- ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে বাটাইরিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড হজম ক্ষমতা বাড়ায়।

৮. রোগ প্রতিরোধ- বাটইরিক অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৯. খিদে বাড়ায়- হজম ক্ষমতা বাড়ানোর কারণে ঘি খিদে বাড়ায়।

১০. পজিটিভ ফুড- বহু প্রাচীন কাল থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। কনশাসনেস উন্নত হয়। 


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি