আজ শুক্রবার, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৪ নভেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : জিম্বাবুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট এমারসনের শপথ গ্রহণ       সততা ও উন্নয়নের কারণেই আগামীতেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা       চট্টগ্রাম পর্বের শুরুতে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে খুলনা       ফতুল্লায় ভেকু চাপায় শ্রমিকের মৃত্যু, লাশ গুম চেষ্টার অভিযোগ       রংপুর-খুলনা ম্যাচ দিয়ে বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্ব শুরু       ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে বারী সিদ্দিকীর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত       কালিয়াকৈরে ট্রেন-ট্রাক সংঘর্ষ, ট্রেনের সহকারী চালক নিহত      
মিল মালিকের বিরুদ্ধে পরিবেশ দূষণের অভিযোগ
Published : Tuesday, 14 November, 2017 at 4:46 PM, Count : 18
মিল মালিকের বিরুদ্ধে পরিবেশ দূষণের অভিযোগইসলামপুর (জামালপুর) সংবাদদাতা : জামালপুরের মেলান্দহে একটি মিল মালিকের বিরুদ্ধে পরিবেশ দূষণের অভিযোগ দায়ের করেছে এলাকাবাসি।

জানা গেছে, কয়েক বছর আগে ম্ন্সুী নাংলা গ্রামে বসত বাড়ির আঙ্গিনায় মেসার্স নূর অটোরাইচটি স্থাপন করা হয়। রাইচ মিলের বর্জ ও দূষিত পানি বসত বাড়ির চারদিকে ছড়িছিটিয়ে ফেলা হয়। এতে এলাকাবাসির ফসল-পুকুরের মাছ ও বসত বাড়ির খাদ্য দ্রব্য বিনাশ করা হচ্ছে।
 
একই সাথে ধান সিদ্ধ করার চুল্লিটিও পর্যাপ্ত উচু নাথাকায় ধানের ছাই আশপাশের বাড়িঘরের বিছানাপত্র-খাদ্যদ্রব্যেও পড়ে নষ্ট করা হচ্ছে। শিশুদের চোখে ছাই প্রবেশ করছে। ঘরের কাপড় চোপড়ে ছাই পড়ে ব্যবহার অনুপযোগি হচ্ছে। এতেই শেষ নয়, মিলে মালামাল সরবরাহের কোন রাস্তা নেই। এমতাবস্থায় রাস্তার অজুহাতে জোরপূর্বক বেআইনীভাবে অন্যের জমি দখল করে আইনশৃংখলার অবণতি ঘটাচ্ছে।
 
এ ব্যাপারে থানা পুলিশ-ইউএনও-পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসন সরেজমিন পরিদর্শনকালে অন্যের জমি জবর দখল থেকে বিরত থাকতে বলেছে। একই সাথে মিলের দূষিত বর্জ্য অন্যের জমিতে না ফেলে পয়নিস্কাশনের ব্যবস্থা রাখা নির্দেশ দিলেও, মিলকর্তৃপক্ষ আমলে নিচ্ছে না বরং দাঙ্গাহাঙ্গামা সৃষ্টির জন্য উৎপেতে আছে বলে ভূক্তভোগীদের অভিযোগ।
 
অবসর প্রাপ্ত বিডিআর হাবিলদার জানান, মবর্জ ফেলার কারণে বছরে পুকুরের মাছ, ফলবান বৃক্ষ, ফসলাদিসহ আমারই অন্তত: লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হচ্ছে। মিল মালিক আমার নিকট আত্মীয় বলে কিছুই বলতে পারছি না। এমতাবস্থায় নিরীহ গ্রামবাসি প্রশাসনের কাছে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আশা করছেন।
 
একই সাথে কৃষি জমি ও আবাসিক এলাকায় অবাধে ইটভাটা নির্মিত হচ্ছে। উপজেলায় ১৪টি ইটভাটা এখনো চলছে। এসব ইটভাটার সাথেই হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-পোস্ট অফিস, সরকারি মৎস্য খামার, অফিসপাড়ার একাংশ এবং বসতি এলাকায় অবস্থিত।

টপসয়েল উত্তোলন করায় ইতোমধ্যেই ফসলী জমির সংকট দেখা দিয়েছে। টাকার বিনিময়ে এবং রাজনৈতিক প্রভাবে অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করে ছাড়পত্র দেয়া হচ্ছে। ইটভাটা এলাকায় ফসল-বৃক্ষরাজি-সবজির আবাদে প্রভাব পড়ায় ফলনে ভাটা পড়েছে। প্রভাব পড়েছে পরিবেশের ভারসাম্যেও। সচেতন মহলের ধারণা ইটভাটায় মাটিপোড়ানোর ফলে আগামী দশ বছরের মধ্যে আবাদ করার মতো কোন ফসলী জমি থাকবে না। ইটভাটায় মাটি বিক্রির ফলে অনেক আবাদী জমি জলাশয়ে পরিণত হয়েছে।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি