আজ বৃহস্পতিবার, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : আজ রোহিঙ্গা ইস্যুতে সমঝোতা হলে কাল এমওইউ সই'       শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতিসহ গ্রেপ্তার ২        শার্শায় সাড়ে ৩৩ লাখ হুণ্ডির টাকাসহ ৪ পাচারকারী আটক       এসএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১ ফেব্রুয়ারি       নওগাঁয় চাকুরি জাতীয়করণের দাবিতে ইউসিসিএ কর্মচারীদের মানববন্ধন       আজ জহির রায়হানের ‘হারানো অধ্যায়’       কুষ্টিয়ার খোকসায় গৃহবধূকে কুপিয়েছে সাবেক স্বামী      
নির্বাচনকে ঘিরে ফের সরগরম রাজনীতি
সারা দেশে সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগের পরিকল্পনা আ.লীগ-বিএনপির
Published : Wednesday, 15 November, 2017 at 8:23 PM, Count : 64
স্টাফ রিপোর্টার : রাজনীতির মাঠ আবার গরম হচ্ছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নভেম্বর মাসেই শুরু হলো মাঠ গরমের রাজনীতি। দেখা দিয়েছে সেই বহুল প্রতীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মসূচি। আগামী এক বছর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনসংযোগ, প্রচার-প্রচারণা ও সভা-সমাবেশের মাধ্যমে সারা দেশে রাজনীতির উত্তাপ ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ক্যাম্প পরিদর্শনের কর্মসূচি নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ঢাকা টু চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সফরের মধ্যদিয়ে রাজনীতির মাঠ গরম হয়ে উঠেছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও বসে নেই। তারাও নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠেই আছে। তৃণমূলকে চাঙ্গা রাখতে এবং দলের সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে জেলায় জেলায় সফর করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। দলের তৃণমূল নেতারাও আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে মাঠ গরম করছেন। তারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে  মাঠে নেমে পড়েছেন। দলীয় সূত্রগুলো জানায়, এবার ঢাকার বাইরে কর্মসূচি দেয়ার কথা ভাবছে বিএনপি। সরকারি দল আওয়ামী লীগও পল্টা কর্মসূচি দিয়ে রাজনীতির মাঠে শক্ত অবস্থান নিয়ে থাকতে চায়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপিকে নিয়ে বিচলিত হওয়ার দরকার নেই। তারা আন্দোলনে ব্যর্থ এবং নির্বাচনেও ব্যর্থ। সবকিছুতে ব্যর্থ হয়ে এখন প্রেস ব্রিফিং আর মিথ্যাচারের পুরনো ভাঙা রেকর্ড বাজানো ছাড়া বিএনপির আর কোনো কাজ নেই। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সম্প্রতি ‘দুটি কর্মসূচিতে বিএনপির অনেক অর্জন। প্রথমত, জনসম্পৃক্ততা প্রকাশ পেয়েছে; দ্বিতীয়ত, নেতাকর্মীদের মনোবল ফিরে পাওয়া; তৃতীয়ত, জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন। আমরা মনে করি, এটা রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাএ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে। ২০১৯ সালে বিজয়ের মাসে এ নির্বাচন হবে। আন্দোলন করে লাভ নেই। আওয়ামী লীগ আন্দোলনে চ্যাম্পিয়ন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের সবার চাওয়া শান্তিপূর্ণভাবে দেশটাকে গড়া, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে অক্ষুণœ রাখা। পাল্টাপাল্টি কিছু কখনো ভালো কিছু না। এত বাধার পরও সোহরাওয়ার্দীর জনসভা এটাই প্রমাণ করেছে। এখন কেউ যদি অন্য কিছু করতে চায়, আমার বিশ্বাস তা জনগণই প্রতিহত করবে।
আওয়ামী লীগের সভাপতিম লীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ বলেন, খালেদা জিয়া তিন মাস ধরে বিদেশে ছিলেন। দেশে আসবেন কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছিল। এখন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার ফলে তাঁদের উৎসাহ বাড়াটা স্বাভাবিক। এরপর আরও কর্মসূচি নেয়ার চেষ্টা করবে। তবে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে যদি সাজা হয়ে যায়, তাহলে কী করে সেটা দেখার বিষয়। সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ দরকার। নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে এই পরিবেশ তৈরি হয়। বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মসূচিতে সরকারের সহনশীলতার একটা লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এটা বজায় থাকলে আগামী নির্বাচনের পথ সুগম হবে। জনগণের মধ্যেও আত্মবিশ্বাস আসবে। আসলে মানুষের কাছে পৌঁছানোর সবচেয়ে ভালো পথ হচ্ছে নিয়মতান্ত্রিক ও সহনশীল রাজনীতি। সাবেক এই নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, সাধারণ মানুষ সুস্থ ধারার রাজনীতি দেখতে চায়। অতীতে যা হয়ে গেছে, সেটা আর দেখতে চায় না। সরকার ও বিরোধী দলের তরফ থেকে মানুষ সহনশীলতা আশা করে। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিএনপির কর্মসূচিকে ইতিবাচক মনে করি। কিন্তু যেটা আমাদের উদ্বিগ্ন করে, তা হলো দুটি দলের এখনো পরস্পরবিরোধী অনড় অবস্থান। আমরা মনে করি, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিয়ে যে সংকট, তা রাজনীতিকদের আলাপ-আলোচনা করেই সমাধান করতে হবে। তা না করে আবার যদি ২০১৪ সালের নির্বাচনের মতো হয়, তাহলে আমরা চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ব। দলীয় সূত্রগুলো জানায়, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে শান্তিপূর্ণভাবে বিএনপির সভা-সমাবেশ করলে সরকার বাধা দিবে না। বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাে র জবাব রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করবে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনীতির মাঠ গরম করা রাজনীতিরই সংস্কৃতি। আওয়ামী লীগ সুস্থ ধারার রাজনীতিই করে। বড় দল হিসাবে বিএনপিকেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসাবে দেখে আওয়ামী লীগ। নেতারা মনে করেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগ পর্যন্ত মাঠের রাজনীতি কখনো গরম আবার কখনো রাজনৈতিক বাহাস চলবে। তবে রাজনীতির মাঠ গরমের মৌসুম শুরু হয়েছে।
বিএনপির নেতাদের মূল্যায়ন, গত রোববার ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভা, তার আগে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ত্রাণ দিতে খালেদা জিয়ার কক্সবাজার সফর রাজনৈতিকভাবে ‘ফলপ্রসূ’ হয়েছে। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বড় দুটি কর্মসূচি নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করেছে। বিশেষ করে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের নিয়ে একটি ‘মানবিক’ কর্মসূচিকে ঘিরে অনেক দিন পর নিরুত্তাপ রাজনীতির মাঠে সক্রিয় হতে পেরেছে বিএনপি। ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উখিয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়ার দীর্ঘ যাত্রাপথে নেতাকর্মীদের জাগিয়ে তোলা গেছে। বিএনপির নেতারা মনে করছেন, এই দুটি কর্মসূচিতে সরকারের ভেতরেও নাড়া পড়েছে। বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন পর মাঠের রাজনীতির সুযোগ পেয়ে নেতা-কর্মীরা উচ্ছ্বসিত। এখন নীতিনির্ধারকেরা চাইছেন আপাতত কোনো উত্তেজনাকর কর্মসূচিতে না গিয়ে একটি ‘অহিংস’ আন্দোলন গড়তে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব মাঠপর্যায়ে এই বার্তা পৌঁছাতে চান যে বিএনপি রাজনীতিতে একটি ‘গুণগত’ পরিবর্তন আনতে চায়। এ কারণে খালেদা জিয়া বারবার ‘ক্ষমার’ কথা বলে উদারতার রাজনৈতিক মনোভাব প্রদর্শন করছেন।
বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার বাইরের কর্মসূচি দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে। গত এপ্রিলে পাহাড়ি ঢলের তোড়ে বাঁধ ভেঙে সিলেটের সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলের অন্তত ১০ হাজার হেক্টর বোরো ফসল তলিয়ে যায়। আর আগস্টে বন্যায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় উত্তরাঞ্চলের অন্তত ১৫ জেলা। এ কারণে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পরবর্তী সফর এই দুই অঞ্চলে হতে পারে বলে দায়িত্বশীল নেতারা জানান। অবশ্য দলের আরেকটি সূত্র জানায়, সরকারি নিপীড়নের শিকার বিএনপির নেতা-কর্মীদের নিয়েও পরবর্তী কর্মসূচি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বিগত আন্দোলনে রাজশাহী অঞ্চলে গুম, খুন হওয়া নেতাদের পরিবার নিয়ে জমায়েত করার কথাও ভাবনায় রাখা হয়েছে। ছয় সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়ার মাঠের এসব কর্মসূচি শেষ করতে পারেন বলে জানা গেছে। এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক বছর আগেই নির্বাচনী মাঠ গরমের প্রতিযোগিতায় সরগরম হয়ে উঠছে। একটি সূত্র জানায়, আগামী সপ্তাহে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক কমিটির ব্যানারে সমাবেশের মধ্য দিয়ে মাঠ গরমের রাজনীতি আরও গরম হবে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়া উপলক্ষে ১৮ নভেম্বর নাগরিক সমাবেশ করবে নাগরিক কমিটি। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে কয়েক মাস পর তিনি প্রকাশ্য জনসভায় ভাষণ দিতে যাচ্ছেন। নেতারা মনে করেন ১৮ নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে বিভিন্ন বিষয়ে দিক-নির্দেশনামূলক বার্তা দিতে পারেন। এছাড়া সারা দেশের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা নিজেদের ছবি দিয়ে পোস্টার-ব্যানার ফেস্টুনসহ নানারকম লিফলেট দিয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও চলছে ব্যাপক প্রচারণা। ফেসবুক খূললেই দেখা যাবে কোনো না কোনো নির্বাচনী এলাকায় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের গণসংযোগের ছবিসহ নানারকম কমেন্ট। আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশে ছয়টি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়লাভ করতে মাঠে থাকবে আওয়ামী লীগ। রাজনীতির মাঠ বিএনপি গরম করলেও আওয়ামী লীগ কৌশলে এগুবে। কঠোর নজরদারীতে রাখবে বিএনপির রাজনীতি। নেতারা মনে করেন রাজনৈতিক কর্মসুচি পালনের নামে গত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনের আগে বিএনপির জ্বালাও-পোড়াওয়ের কর্মসূচি এদেশের জনগণ ভুলে যায়নি। তাই রাজনীতির মাঠ গরমের নামে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশের সৃষ্টি যাতে না করতে পারে সেদিকেই নজর সরকার ও দলের। রাজনীতির মাঠ গরমের কথা বলে দেশে কোনরকম অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে দিবে না আওয়ামী লীগ। দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা মনে করেন আসন্ন ছয় সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন যেভাবে হয়ে থাকে সেভাবেই প্রস্তুতি দলের তৃণমুলে চলছে। তবে নির্বাচনের হাওয়া কেন্দ্র থেকে শুরু করে দলের তৃণমূলে লাগবে এটাই স্বাভাবিক। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের মধ্যে সরগরম আলোচনা সব সময়ই হয়ে থাকে। আগামীতেও হবে।
দলীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া সড়কপথে ঢাকার বাইরে গিয়ে বিপুল মানুষ নামিয়ে কর্মসূচি পালন করতে চাইলে সরকারি দল আওয়ামী লীগও পাল্টা কর্মসূচি দেবে। এ ক্ষেত্রে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে এবং প্রথম বর্ষপূতিকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের হরতাল-অবরোধে ক্ষতিগ্রস্তদেরও মাঠে নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সংগঠনগুলোকে দিয়েও জ্বালাও-পোড়াওয়ের প্রতিবাদের আয়োজন করা হতে পারে। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী সূত্রগুলোর সঙ্গে কথা বলে এ চিন্তা-পরিকল্পনার কথা জানা গেছে। মাঠ গরমের রাজনীতি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা এবং তাদের সহায়ক সরকারের দাবি নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা বলেছেন, আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারের অধীনেই হবে। কোনো সহায়ক সরকার হবে না, কোন ভাবনার সরকার হবে না। এ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে কোন আলোচনা করা হবে না, সমঝোতার প্রশ্নই উঠে না। আর বিএনপিকে নির্বাচনে আনার দায়িত্ব আওয়ামী লীগের নয়। বিএনপি বুঝতে পেরেছে তাদের মিথ্যাচার, মানুষ হত্যা, লুটপাট, ষড়যন্ত্রের রাজনীতির জন্য জনগণ আগামী নির্বাচনেও তাদের প্রত্যাখান করবে। তাই তারা মাঠ গরমের নামে নানা ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে ফের ষড়যন্ত্র করা হলে, আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে, সন্ত্রাসী কর্মকা , জ্বালাও পোড়াও করলে কোনোরকম ছাড় দেয়া হবে না। এসব যারা ফের করবে তাদের মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচার করা হবে।







« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি