আজ বুধবার, ৪ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : ঢাবি প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ       রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন ১০ লাখ ছাড়িয়েছে       কাটা পড়ছে যশোর রোডের দ্বিশতবর্ষী ২৩১২টি গাছ       বনানীতে তরুণী ধর্ষণ: প্রতিবেদন ৭ ফেব্রুয়ারি       ৬ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন দেয়ার নির্দেশ       ডিএনসিসির উপ-নির্বাচন স্থগিত       কলম্বিয়ায় সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত : নিহত ১০      
১৫ নভেম্বর বিভীষিকাময় দিনটি মনে পড়লেই আঁতকে ওঠেন উপকূলীয়বাসী
Published : Wednesday, 15 November, 2017 at 11:00 AM, Update: 15.11.2017 1:03:26 PM, Count : 58
১৫ নভেম্বর বিভীষিকাময় দিনটি মনে পড়লেই আঁতকে ওঠেন উপকূলীয়বাসীবরগুনা সংবাদদাতা : আজ ১৫ নভেম্বর, সিডরের ১০ বছর।

২০০৭ সালের এ রাতে শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াল সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় উপকূলীয় অঞ্চল লন্ড-ভন্ড করে দিয়েছিল।

উপকূলীয় অঞ্চলের শত-শত মানুষের জীবন প্রদীপ নিভে যায়। এখনো নিখোঁজ রয়েছে বহু মানুষ। মারা গিয়ে ছিল হাজার হাজার গবাদি পশু।

আগের দিনও যে জনপদ ছিল মানুষের কোলাহলে মুখরিত, মাঠ জুড়ে ছিল কাঁচা-পাকা সোনালি ধানের সমারোহ, পরের দিনই সেই চির চেনা জনপথ পালটে যায়।

দিনটিকে স্মরণ করতে স্বজন হারা মানুষেরা মিলাদ মাহফিল, দোয়া মনাজাত, কোরআনখানি ও নানাবিধ আয়োজন করে থাকে।

১০ বছর পরে সেই স্মৃতি নিয়ে  আজও যারা বেঁচে আছেন এবং তাদের মধ্যে যারা আত্মীয় স্বজন হারিয়েছেন সেই বিভীষিকাময় দিনটি মনে পড়লেই আঁতকে ওঠেন।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপে সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। নিম্নচাপটি কয়েক বার  গতি পরিবর্তন করে মধ্যরাতে অগ্নিমুর্তি ধারণ করে। রাতে ঘূর্ণিঝড়টি  আঘাত হানে ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা উপকূলীয় অঞ্চলে। ঝড়ের তীব্রতা কমে যাওয়ার পর শুরু হয় স্বজনদের খোজাখুজি। কারও বাবা নেই, কারও মা নেই। আবার কারও স্ত্রী, পুত্র কন্যা, ভাই-বোনসহ আপনজন বলতে কেউ নেই।স্বজনদের লাশ গাছের ডালে কিংবা বাড়ি ঘরের খুটির সঙ্গে ঝুুলে আছে।

যে দিকে দৃষ্টি যায় শুধু লাশ আর লাশ উপকূলের বাতাসের কানপাতলেই মৃত্যু পথযাত্রী শত মানুষের চিৎকার আর স্বজনদের আহাজারি ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও সে দিনের দুঃসহ স্মৃতি আজও জেগে আছে স্বজনহারাদের মাঝে। দুঃখ স্বপ্নের মত আজও তাড়া করে তাদের।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বরিশাল অঞ্চলের কার্যালয় জানিয়েছে, দেশের উপকূল সুরক্ষায় বর্তমানে ১২৩টি  পোল্ডারের অধীনে পাউবোর পাঁচ হাজার ১০৭ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে ৯৫৭ কিলোমিটার হচ্ছে সমুদ্র-তীরবর্তী বাঁধ। সমুদ্রের তীরবর্তী এই বাঁধের সিংহভাগই বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলার আওতায়।

সূত্র আরও জানায়, ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বরের সিডরে উপকূলীয় অঞ্চলের ২ হাজার ৩৪১ কিলোমিটার বাঁধ আংশিক ও সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৭০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬ জেলার প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সম্পূর্ণ এবং ১‌ হাজার ৪০০ কিলোমিটার বাঁধ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি