আজ বুধবার, ৪ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : ৬ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন দেয়ার নির্দেশ       ডিএনসিসির উপ-নির্বাচন স্থগিত       কলম্বিয়ায় সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত : নিহত ১০       রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তির বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের গভীর উদ্বেগ       উত্তরা মেডিকেলের ৫৭ শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রমে বাধা নেই       না.গঞ্জে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত দুই       শাহজালালে ৩১৮ কার্টন সিগারেট জব্দসহ আটক ২      
হরিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা
Published : Thursday, 16 November, 2017 at 1:56 PM, Count : 102
হরিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশাহরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা : মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে যন্ত্রটি ১০ বছর ধরে হয়ে আছে।

বিভিন্ন বেসরকারি রোগ নির্ণয় কেন্দ্রে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে রোগীদের এক্স-রে করাতে হচ্ছে।

আর চালক না থাকায় অ্যাম্বুলেন্সটির ও একয় অবস্থা।

হাসপাতালের অফিস সহকারী হারুন-অর রশিদ বলেন, প্রতিদিন গড়ে বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে ২৫০-৩০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসে৷ এর মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রতিদিন ৭-৮ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হয়৷ কিন্তু অ্যাম্বুলেন্সের চালক না থাকায় তা করা যাচ্ছে না৷ এ ছাড়াও যন্ত্রটি নষ্ট হয়ে পড়ে থাকায় প্রতিদিন ৫-৭ জন রোগীকে অন্য জায়গায় এক্স-রে করাতে হচ্ছে৷

হাসপাতাল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৩ সালের ৩ মার্চ ৩১ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু করা হয়। এরপর থেকে উপজেলাবাসীর অনেকেই হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিচ্ছে।

এলাকায় জনসংখ্যা বাড়ায় হাসপাতালেও রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এই অতিরিক্ত রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। 

২০১৬ সালে দোতলা ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হলে স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ তা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। তবে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও এখনো অনুমোদন পায় নি। বাড়ে নি জনবল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা। শয্যাসংখ্যা বাড়ানো হলেও বর্তমানে হাসপাতালে ৩১ শয্যার জনবলও নেই।

সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে হাসপাতালের এক্স-রে যন্ত্রটি নষ্ট হয়ে যায়। এরপর সেটি মেরামত করা হলেও অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই আবার বিকল হয়ে পড়ে। হাসপাতালটিতে একটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও চালক নেই। গত বছরের ৭ জুলাই চালক হাবিবুর রহমান অবসর নেন। নতুন করে কাউকে নিযোগ করা হয় নি। হাসপাতালটিতে আছে জনবল সংকট। তিন বছর ধরে অবেদনবিদ (অ্যানেসথেটিস্ট) না থাকায় এখানে প্রসূতি অস্ত্রোপচার বন্ধ আছে। হাসপাতালটিতে একজন সার্জারি বিশেষজ্ঞের পদ থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে তা শূন্য। দুজন চিকিৎসক কর্মকর্তার বিপরীতে আছেন একজন।

সরেজমিনে দেখা যায়, এক্স-রে কক্ষটি তালাবদ্ধ। এ ছাড়া চালক না থাকায় অ্যাম্বুলেন্সটি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে গাড়ি রাখার জায়গায় পড়ে আছে।

স্থানীয় সামাজিক আন্দোলনকর্মী আবেদ হাসান বলেন, এক্স-রে যন্ত্র নষ্ট থাকায় বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে দরিদ্র রোগীদের। বাইরের বেসরকারি বিভিন্ন রোগ নির্ণয় কেন্দ্র থেকে তাদের অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে এক্স-রে করাতে হচ্ছে। এ ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে গাড়ি ভাড়া করে অনেক রোগীকে জেলা সদর হাসপাতালসহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে হচ্ছে।

ঝিটকা এলাকার রশিদ নামে এক রোগী বলেন, প্রায় ছয় মাস আগে গাছের ডাল কাটতে গিয়ে মাটিতে পড়ে বাঁ হাতে প্রচন্ড আঘাত পান তিনি। চিকিৎসক হাতের এক্স-রে করাতে বললে ৩৫০ টাকায় তিনি বাইরের একটি রোগ নির্ণয় কেন্দ্র থেকে এক্স-রে করি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুল মালেক খান বলেন, এক্স-রে যন্ত্র সরবরাহের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে এক্স-রে যন্ত্র দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এই হাসপাতালেও দেওয়া হবে। আর চালক নিয়োগ না দেওয়ায় অ্যাম্বুলেন্সটি পড়ে আছে। এ বিষয়টিও অধিদপ্তরে জানানো হয়েছে।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি