আজ বৃহস্পতিবার, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : মীরসরাইয়ের উপকূলে আগত অতিথি পাখির নিরাপত্তা জরুরী       হাইড্রোলিক হর্ন উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ       বিদেশি লিগের ছাড়পত্র পেলেন না 'কাটার মাস্টার'       সু চির খেতাব প্রত্যাহার করল ডাবলিন সিটি কাউন্সিল       শাকিবের পরেই মোশাররফ করিম       আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের তিন মামলায় জামিন       আজ বার্ষিক সংবাদ সম্মেলন করবেন পুতিন      
অবশেষে মিলল ‘টাইটানিক’-এর সেই দম্পতির আসল পরিচয়!
Published : Sunday, 3 December, 2017 at 6:42 PM, Count : 209
অবশেষে মিলল ‘টাইটানিক’-এর সেই দম্পতির আসল পরিচয়! ভোরের ডাক ডেস্ক : আজ থেকে ১০৫ বছর আগে আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরে তলিয়ে গিয়েছিল পৃথিবীর তৎকালীন বৃহত্তম জাহাজ টাইটানিক। সেই সময়ে জাহাজে কতজন যাত্রী ছিলেন, তা নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।  

তবে এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যাত্রী ও জাহাজের কর্মী মিলিয়ে প্রায় ১৫০০ জনকে নিয়ে পাড়ি দিয়েছিল টাইটানিক। তবে ডুবে যাওয়ার মুহূর্তে প্রাণ বাঁচাতে পেরেছিলেন মাত্র ৩০ শতাংশ। বাকি ৭০ শতাংশ মারা যান সে রাতেই।

দুর্ঘটনার সময়ে যাত্রীদের মধ্যে এমন অনেকেই ছিলেন, যারা বিপদের মুহূর্তেও প্রিয়জনকে ছেড়ে যাননি। 

এর মধ্যে উল্লেখ্য ছিল এক বৃদ্ধ দম্পতি। জেমস ক্যামেরনের ‘টাইটানিক’ ছবিতেও দেখানো হয়েছে তাদের। সবাই যখন বাঁচার জন্য মরিয়া তখন সেই দম্পতি পরস্পরকে জড়িয়ে শুয়ে রয়েছেন জাহাজের কেবিনে। সমুদ্রের ফুঁসে ওঠা পানি ক্রমাগত ধাক্কা দিচ্ছে তাদের বিছানায়।

টাইটানিকে সেই দম্পতির অস্তিত্ব সত্যিই ছিল, নাকি ওটা কেবলমাত্র সিনেমার জন্যই দেখানো, তা নিয়ে কৌতূহল অনেকেরই রয়েছে।

এতদিনে সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মিরর’-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সেই বৃদ্ধের নাম ইসিডর স্ত্রাউস এবং তার স্ত্রী ইডা স্ত্রাউস। টাইটানিক দুর্ঘটনার ৪১ বছর আগে বিয়ে হয় এই মার্কিন জুটির। ফ্রান্সে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন ওই দম্পতি। লিভারপুল থেকে তারা টাইটানিকে ওঠেন।

দুর্ঘটনার সময়ে ফার্স্ট ক্লাস কেবিনের যাত্রী হওয়ার দরুণ লাইফ বোটে করে পালানোর সুযোগ তাদের সামনেও ছিল। ইডাকে লাইফবোটে ওঠার জন্য আহ্বানও জানানো হয়। কিন্তু সেখানে তার স্বামীর জন্য জায়গা ছিল না বলে ইডা যেতে অস্বীকার করেন। জানা যায়, এরপর আর পালানোর সুযোগ তাদের কাছে আসেনি। সেই সময়ে ইডা তার স্বামীকে বলেছিলেন, ‘‘আমরা একসঙ্গে যখন এতগুলো বছর কাটিয়েছি, মৃত্যু পর্যন্তও একসঙ্গেই থাকব। ’’

এতদিন বাদে সম্পূর্ণ ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আনেন, ইসিডর-ইডার নাতির ছেলে পল কুর্জম্যান। তিনি জানান, ইসিডরের দেহ সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা গিয়েছিল। তবে ইডার দেহ আর পাওয়া যায়নি। সেই সময়ে প্রায় ৬০০০ লোক ইসিডরের শেষকৃত্যে যোগদান করেছিলেন তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। কারণ, ইসিডর ছিলেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য। তিনি ডেমোক্র্যাট দলের প্রতিনিধি ছিলেন।  


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি