আজ শনিবার, ২ পৌষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা শাসকগোষ্ঠীর দমননীতির বহিঃপ্রকাশ       পঞ্চগড়ে বিজয় বাইসাইকেল র‌্যালি       একদিনে ২৯ জঙ্গিকে ফাঁসি দিল ইরাক       শনিবার স্মৃতিসৌধে যাবেন খালেদা জিয়া        উ.কোরিয়ার মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করবে মার্কিন-রাশিয়া       ঠাকুরগাঁও টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে কর্তৃপক্ষের হামলায় আহত ৫       নওগাঁয় ওভারব্রিজে ধাক্কা লেগে ট্রেনের ১যাত্রীর মৃত্যু      
নওগাঁর সদরে আ.লীগ-বিএনপির একাধিক প্রার্থীর দৌড়ঝাঁপ
Published : Tuesday, 5 December, 2017 at 4:06 PM, Update: 05.12.2017 4:14:25 PM, Count : 82
নওগাঁর সদরে আ.লীগ-বিএনপির একাধিক প্রার্থীর দৌড়ঝাঁপনওগাঁ সংবাদদাতা : আব্দুল জলিল নামটি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের একটি অতি পরিচিত নাম। যার নামের কারণে দেশের মানুষ উত্তরবঙ্গ মূলত বরেন্দ্র অঞ্চলখ্যাত নওগাঁকে এক নামে চিনতে পারতো।

যিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আধুনিক নওগাঁর অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা, বাংলাদেশে আ’লীগ দলের দীর্ঘদিনের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক বার্ণিজ্য মন্ত্রী। সেই জলিলের জন্মস্থান এই আসনের একটি গ্রামে।

নওগাঁ জেলায় প্রবেশের মুখেই নওগাঁ সদর। বগুড়া জেলার শেষ প্রান্তে এই আসনের শুরু। এরশাদ সরকারের শাসনামলে ১৯৮৪ সালে মহকুমা শহর থেকে জেলায় উন্নীত হয় নওগাঁ। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে নওগাঁ জেলা সদরের পরিধি। জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নওগাঁ সদর-৫ আসন। জাতীয় সংসদের নির্বাচনী আসন নং- ৫০।

১২টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত নওগাঁ সদর উপজেলা তথা নওগাঁ সদর-৫ আসন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৩ হাজার ৯৪৭ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৫৭ হাজার ৩২০ জন এবং মহিলা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬২৭ জন। পৌর এলাকার ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ১২ হাজার ৮০২ জন। এর মধ্যে ৫৬ হাজার ২৪৬ জন পুরুষ এবং ৬৫ হাজার ৫৫৬ জন মহিলা ভোটার। 

বিএনপি’র ঘাঁটি বলে খ্যাত পরিচিত হলেও নওগাঁ সদর আসনসহ এই জেলাতে তাদের ধ্বস নামে ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে। ওই নির্বাচনে জেলার ৬টি আসনেই জয়লাভ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে নওগাঁ (মান্দা) বাদে অপর ৫টি আসনে নির্বচিত হন বিএনপি’র প্রার্থী।
 
১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির এরশাদ সরকারের আমলে নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলে ওই নির্বাচনে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ওহিদুর রহমান এবং নওগাঁ-২ (পত্মীতলা-ধামইরহাট) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হুমায়ন কবির চৌধুরী নির্বাচিত হন। অপর ৪টি আসনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী। একই সরকারের আমলে ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-বিএনপি উভয় দলই অংশ না নিলে জেলার ৬টি আসনেই এক রকম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির প্রার্থী।

১৯৯১ সালের নির্বাচনে ৬টি আসনের মধ্যে নওগাঁ-১ (পোরশা-সাপাহার-নিয়ামতপুর) আসনে এবং নওগাঁ-২ (পত্মীতলা-ধামইরহাট) আসনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী। নওগাঁ-৩ (বদলগাছী-মহাদেবপুর), নওগাঁ-৫ (সদর) এবং নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) ৩টি আসনে বিএনপি এবং নওগাঁ-৪ (মান্দা) অসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ৬টি আসনেই জয়লাভ করে বিএনপি’র প্রার্থীগণ। ২০০১ সালের নির্বাচনে নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে নির্বাচিত হন বর্ষীয়ান নেতা আব্দুল জলিল। অপর ৫টি আসনেই নির্বাচিত হন বিএনপি’র প্রার্থীগণ। 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো শস্যভান্ডার খ্যাত নওগাঁর ভোটার ও সাধারণ মানুষের মাঝে চলছে ভোটের হিসাব নিকাশ। কে হচ্ছেন কোন দলের প্রার্থী তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ওই নির্বাচনকে ঘিরে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও বিএনপি থেকে হাফ ডজনেরও বেশি প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে জানা গেছে।

২০১৩ সালের মার্চে নওগাঁর বর্ষীয়ান নেতা সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী আব্দুল জলিল এম,পি’র মৃত্যুর পর নওগাঁয় দলের হাল ধরেন দলের দীর্ঘদিনের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক। উপ-নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় প্রথম বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে তিনি জেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেন। আব্দুল মালেক বর্তমানে সদর আসনের এমপি ছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সভাপতি। কেন্দ্রিয় আওয়ামী লীগে তাঁর অবস্থান সুদৃঢ়। কাজেই তিনি আগামী নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী একথা নিশ্চিত।

অপর দিকে আব্দুল জলিলের ছেলে বয়সে তরুণ, রাজনীতিতে নবীন ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জনদল থেকে মনোনয়ন চাইবেন বলে তিনি জানান। 

এছাড়াও এই নির্বাচনে জেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতি পর পর দু’বার পৌরসভা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এবং সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বি রফিকুল ইসলাম রফিক আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনেও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আব্দুল মালেকের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। 

অপর দিকে সদর আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী গত ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আব্দুল জলিলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যাওয়া বিএনপি’র প্রার্থী বর্তমান কেন্দ্রিয় বিএনপি’র উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য লেঃ কর্নেল (অবঃ) আব্দুল লতিফ খান, জেলা বিএনপি’র সভাপতি পৌর মেয়র নজমুল হক সনি, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন, জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের জেলা আহবায়ক এবং বিএনপি’র সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রায়হান আক্তার রনি। 

এছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে নওগাঁ জেলা জাপা’র সাধারণ সম্পাদক ইফতারুল ইসলাম বকুল প্রার্থী হচ্ছেন বলে কেন্দ্রিয় জাপার যুগ্ন মহাসচিব ও জেলা জাপা’র সভাপতি এড. তোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ : বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক বর্তমানে সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সভাপতি। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগে তাঁর অবস্থান সুদৃঢ়। কাজেই তিনি আগামী নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী একথা এখন নিশ্চিত। অপর দিকে আব্দুল জলিলের ছেলে বয়সে তরুণ, রাজনীতিতে নবীন ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। এই নির্বাচনে জেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতি পর পর দু’বার পৌরসভা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এবং সংসদ সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রফিকুল ইসলাম রফিক আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে। 

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান নওগাঁ-০৫ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মালেক নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি তাঁর জীবনের রাজনীতির শুরু থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। দলের সুসময় ও দু:সময় তিনি সবসময় কাছেই ছিলেন। সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আব্দুল জলিলের মৃত্যুর পর আব্দুল মালেক নওগাঁয় দলের হাল ধরেন। উপ-নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে তিনি জেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকের সাথে প্রতিদ্বন্দিতা করে জয়লাভ করেন। রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগে তাঁর অবস্থান সুদৃঢ়।

এদিকে মরহুম আব্দুল জলিলের ছেলে বয়সে তরুণ, রাজনীতিতে নবীন নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন নওগাঁর রাজনীতিতে নতুন মুখ। কিন্তু তাঁর বাবা আব্দুল জলিলের পরিচিতি অভিজ্ঞতা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডই তাঁর মুল ভরসা। 

বিএনপি:  বর্তমান কেন্দ্রীয় বিএনপি’র উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য লেঃ কর্নেল (অবঃ) আব্দুল লতিফ খান, জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও পৌর মেয়র নজমুল হক সনি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু,  সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের জেলা আহবায়ক এবং বিএনপি’র সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রায়হান আক্তার রনি আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রত্যাশী। 

নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীরা জন সংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে জেলা বিএনপি’র অভ্যন্তরে নেতা কর্মীদের মাঝে রয়েছে চরম কোন্দল। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গ্রুপিংটা অনেকটাই দৃশ্যমান। জেলায় এখন পর্যন্ত পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়নি। কেন্দ্রের করে দেয়া ৩০ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি এখনো পূর্নাঙ্গ কমিটিতে রুপান্তরিত হতে পারেনি।

নওগাঁ জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও নওগাঁ পৌর সভার মেয়র নজমুল হক সনি পর পর দুইবার পৌর সভার নির্বাচিত মেয়র। এর আগে তিনি নওগাঁ জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ছিলেন। নওগাঁ বিএনপি তথা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তাঁর বেশ পরিচিতি রয়েছে। নজমুল হক সনির অনুসারীদের আশা এসব বিষয় বিবেচনা করবে দলীয় হাইকমান্ড। আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৫ আসনের জন্য বিএনপি থেকে নজমুল হক সনিকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। 

জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু পর পর দুই বার নওগাঁ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। এর আগে তিনি নওগাঁ যুবদলের সভাপতি ছিলেন। সাংগঠনিক কর্মকান্ডে তাঁর বেশ সুনাম রয়েছে। ধলু সংসদ নির্বাচন করবেন বলে দীর্ঘদিন থেকে তিনি সার্বক্ষণিক দলীয় কাজের পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক একাধিক সংগঠনের সাথে জড়িত এবং নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরবিচ্ছিন্ন গন সংযোগ করে যাচ্ছেন। জাহিদুল ইসলাম ধলুর মনোনয়নের বিষয়ে কেন্দ্র থেকে চেয়ারপার্সনের সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে বলে তাঁর সমর্থকরা জানান।

নওগাঁ জেলা বিএনপির পর পর দুইবার সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন। এ আগে তিনি নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। নওগাঁয় যুব সমাজে তাঁর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। রাজনৈতিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতি কর্মকান্ডের সাথে অতপ্রত ভাবে জড়িত। দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে বিজয়ের ব্যাপারে খুব আশাবাদী মামুনুর রহমান রিপনের সমর্থকরা। 

এদের মধ্যে গত ২০০৮ সালের নির্বাচনে নওগাঁ সদর -০৫ আসনে আওয়ামী লীগের আব্দুল জলিলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যাওয়া বিএনপি’র প্রার্থী বর্তমান কেন্দ্রীয় বিএনপি’র উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য লেঃ কর্নেল (অবঃ) আব্দুল লতিফ খান মাঠেই আছেন। 

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের জেলা আহবায়ক এবং বিএনপি’র সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রায়হান আক্তার রনি মনোনয়ন পাওয়ার জন্য দৌড় ঝাঁপ করছেন। 

জাতীয় পার্টি : জাতীয় পার্টি থেকে নওগাঁ জেলা জাপা’র সাধারণ সম্পাদক ইফতারুল ইসলাম বকুল প্রার্থী হচ্ছেন বলে কেন্দ্রিয় জাপার যুগ্ন মহাসচিব ও জেলা জাপা’র সভাপতি এড. তোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছেন। 

তবে নওগাঁ-৫ আসনে ভোটের লড়াই হবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে। নওগাঁ জেলা শহরের বেশ কিছু স্থানীয় সমস্যা রয়েছে, যেমন যোগাযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অপ্রতুলতা, গ্যাস সরবরাহ না থাকা, এখানে কোন মেডিক্যাল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় নেই, উদ্বৃত্ত খাদ্য উৎপাদন ও চাল উৎপাদনে শীর্ষে থাকা জেলা হওয়া সত্ত্বেও এখানে গড়ে উঠেনি কোন বড় কারখানা। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদানে ক্ষেত্রে ভোটাররা এই বিষয়গুলোকেই বেশি প্রাধান্য দিবেন বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি