আজ বৃহস্পতিবার, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : মীরসরাইয়ের উপকূলে আগত অতিথি পাখির নিরাপত্তা জরুরী       হাইড্রোলিক হর্ন উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ       বিদেশি লিগের ছাড়পত্র পেলেন না 'কাটার মাস্টার'       সু চির খেতাব প্রত্যাহার করল ডাবলিন সিটি কাউন্সিল       শাকিবের পরেই মোশাররফ করিম       আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের তিন মামলায় জামিন       আজ বার্ষিক সংবাদ সম্মেলন করবেন পুতিন      
চার যুগ পেরিয়ে গেলেও মেলেনি নাগেশ্বরীর প্রথম শহীদ মনমোহন কর্মকারের স্বীকৃতি
Published : Thursday, 7 December, 2017 at 7:03 PM, Count : 42
কচাকাটা (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা : স্বাধীনতার সাড়ে চার যুগ পেড়িয়ে গেলেও আজও স্বীকৃতি মেলেনি মুক্তিযুদ্ধে নিহত নাগেশ্বরীর প্রথম শহীদ মনমোহন কর্মকারের। ৭১ এ পাক বাহিনীর হাতে নৃশংসভাবে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তার এ আত্মত্যাগে শুধুমাত্র শহীদ স্বীকৃতির আশায় ঘুরছেন তার সন্তানরা।
মুক্তিযুদ্ধের সময় উপজেলার ডায়নারপাড় গ্রামের মনমোহন কর্মকার স্ত্রী ও সন্তানদের ভারতের আশ্রয় শিবিরে পাঠিয়ে মাতৃভুমির মাটি আকড়ে পড়ে ছিলেন বাড়ীতে। ২৭ মে পাকসেনারা নাগেশ্বরীর দখল নেয়ার পর ৩১ মে সোমবার আচমকা তাকেসহ কালীগঞ্জ ইউনিয়নের রমনী কান্ত নন্দী ও ভিতরবন্দ ইউনিয়নের অজ্ঞাতনামা এক জনকে বাড়ী থেকে ধরে নাগেশ্বরী থানা ভবণে তাদের ক্যাম্পে নিয়ে আসে। সেদিনই থানা চত্বরে ক্যাপ্টেন আতাউল্যা খানের নির্দেশে পাকসেনারা তাদের গুলি করে মেরে ফেলে। পরে সেখানেই গর্ত করে পুতে রাখা হয় মৃতদেহগুলো। ১৯৭১ সালে এটিই ছিল নাগেশ্বরীর প্রথম গণহত্যা। এ হত্যাকান্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সেদিনের তরুণ এখন ক্রিড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ষাটোর্ধ নুরুল ইসলাম বলেন-সেদিন ওই তিনজনকে পাকসেনারা সকলের সামনে দাঁড় করিয়ে খুউব কাছ থেকে গুলি করে। দুইজন তৎক্ষনাৎ মৃত্যুবরণ করলেও তৃতীয়জন একটু নড়াচরা করলে আবারও গুলি করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
নিহত ওই তিন জনের মৃতদেহ মাটি চাপা দিতে যারা গর্ত করেছিল তাদেরই একজন পৌর এলাকার ঠুটাপাইকর গ্রামের হাসিমুদ্দিন (৬১)। তিনি বলেন- তখন আমি তরুণ ছিলাম। খান সেনাদের ক্যাম্পে তিনজনকে এনে গুলি করে মারা হচ্ছে এ খবর শুনে আমরা বেশ কয়েকজন দুরে দাঁড়িয়ে দেখার চেষ্টা করি। তখন খান সেনারা দেখতে পেয়ে হিজলসহ আমাদের ৫-৬ জনকে ডাকে। এবং আমরা কাছে গেলে আমাদের গর্ত করার নির্দেশ দেয়। আমরা আতংকিত হয়ে তাদের নির্দেশক্রমে গর্ত করে মৃত দেহগুলো মাটি চাপা দেই।
নিহতের ছোট ছেলে জীবন কর্মকার বলেন- নাগেশ্বরীর প্রথম শহীদ আমার বাবা। অথচ আজো শহীদের তালিকায় তার নাম নেই। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আজ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। আমরা কিছুই চাই না। শুধু চাই বাবার আত্মত্যাগের স্বীকৃতি। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ উদ্যোগ শেকড় সভাপতি মনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী বলেন ৭১ এ নাগেশ্বরীতে পাক বাহিনীর প্রথম নৃশংস হত্যাকান্ডে নিহত তিনজনের একজন তিনি। স্বীকৃতি স্বরুপ তিনিসহ ওই তিন জনের নাম শহীদের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হওয়া প্রয়োজন।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি