আজ বৃহস্পতিবার, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : বীর সন্তানদের শ্রদ্ধায় প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ       মীরসরাইয়ের উপকূলে আগত অতিথি পাখির নিরাপত্তা জরুরী       হাইড্রোলিক হর্ন উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ       বিদেশি লিগের ছাড়পত্র পেলেন না 'কাটার মাস্টার'       সু চির খেতাব প্রত্যাহার করল ডাবলিন সিটি কাউন্সিল       শাকিবের পরেই মোশাররফ করিম       আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের তিন মামলায় জামিন      
শেষ পর্যন্ত মংডু ছাড়তে হচ্ছে ওদেরও
সেনা ও মগদের নির্যাতনে খালি হাতে দেশ ত্যাগ করতে হচ্ছে রোহিঙ্গাদের
Published : Thursday, 7 December, 2017 at 8:49 PM, Count : 27
টেকনাফ ( কক্সবাজার ) থেকে : মিয়ানমার রাখাইন রাজ্যে ফের রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে  আগুন দেয়ায় এবার দেশ ছাড়ছেন মংডু টাউনশীপের আশপাশে গ্রামে লুকিয়ে থাকা রোহিঙ্গারা। মংডু ও বুচিডং এ দুই টাউনশীপ নিয়ে মংডু জেলা গঠিত। আরাকানের (সংশোধিত নাম রাখাইন স্টেট) ৪টি জেলার মধ্যে আকিয়াবের পর মংডুর স্থান। ২টি থানা নিয়ে গঠিত হলেও আরাকান রাজ্যের অন্যতম  বৃহত্তর ও সমৃদ্ধশালী জেলা হচ্ছে মংডু। মংডু থানাধীন মুসলিম অধ্যুষিত ১০৫টি ইউনিয়নের রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সেনা এবং মগদের বহুমুখি নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসলেও মংডু শহরের আশপাশের গ্রামে অবস্থানকারী রোহিঙ্গারা নানা কৌশলে নাড়িকাটা মাতৃভূমি ছেড়ে আসেননি। এদের বেশির ভাগই স্বচ্ছল পরিবার এবং ব্যবসায়ী কিন্তু নতুন করে আবারো আগুন দেয়া ও নির্যাতন শুরু করলে লুকিয়ে থাকা রোহিঙ্গারা থেমে থেমে পালিয়ে আসছে। শখের বসতবাড়িটি পুড়িয়ে না দিতে সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী রোহিঙ্গারা লাখ লাখ টাকার ঘুষ দেয়ার পরও মন ভরছেনা মগ-সেনাদের। অনেক মুসলমান পরিবার আছেন স্থাবর-অস্থাবর বিশাল সম্পদের মালিক। আর কিছু আছেন সরকারি ও বেসরকারি চাকরীজীবি। মিয়ানমার সেনা এবং মগরা এখন তাদের উপর চড়াও হয়েছে। সেই সম্পদের উপর লোলুপ নজর পড়েছে মগ-সেনাদের এমন তথ্যও জানা যায়।
আরও জানা যায় গত মঙ্গলবার বিকেলে মংডুর কুমিরখালী,শীলখালী এসব গ্রামে রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে নতুন করে আগুন দেয়ায় ও নির্যাতনের কারণে বাকি যে রোহিঙ্গা ছিলেন এখন তারা চলে আসার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। তবে কিছু সংখ্যা রোহিঙ্গা কৌশলে রাতে-ভোরে থেমে থেমে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করছে। পালিয়ে আসার অপেক্ষায় রয়েছে হাজার হাজার। আগুনের দৃশ্য দেখা গেছে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং উনচিপ্রাং সীমান্ত দিয়ে।
গতকাল বুধবার সকালে পালিয়ে আসা আতাউর রহমান (৪০) ও শফিক আহমদ (৩৫) জানান,কষ্ট হলেও তারা স্বদেশে থাকতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু নিত্য-নতুন মগ-সেনাদের চাহিদা, আবদার, তাড়ানোর কৌশল, নির্যাতন বাড়ছে। মগ-সেনাদের মনোভাব বোঝাও মুশকিল। একবার বলে থাকতে, আবার বলে চলে যেতে। পুরনো আমলের পরিচয়পত্র কেড়ে নিচ্ছে। হাটবাজার, মুসলমানদের ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ। অবরুদ্ধ অবস্থা ও  তীব্র খাবার সংকট। এবং আবারো বাড়িঘরে নতুন করে আগুন তাই চলে আসতেছি বাংলাদেশে আসার জন্য এখন হাজার হাজার লোক চেষ্টা চালাচ্ছে।
গত কিছু দিন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বন্ধ থাকলেও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতায় সীমান্ত পেরিয়ে আবারো বাংলাদেশে রোহিঙ্গা  অনুপ্রবেশ করছে। বিগত কয়েক মাস আগে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, তাজনিম্যারখোলা পাহাড়, পালংখালী বাঘঘোনা পাহাড়, টেকনাফের চাকমারকূল, পুটিবনিয়া, লেদা, নয়াপাড়া, শামলাপুর এবং ঘুমধুম তুমব্রু সীমান্ত এলাকায়।
 






« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি