আজ বৃহস্পতিবার, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : বীর সন্তানদের শ্রদ্ধায় প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ       মীরসরাইয়ের উপকূলে আগত অতিথি পাখির নিরাপত্তা জরুরী       হাইড্রোলিক হর্ন উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ       বিদেশি লিগের ছাড়পত্র পেলেন না 'কাটার মাস্টার'       সু চির খেতাব প্রত্যাহার করল ডাবলিন সিটি কাউন্সিল       শাকিবের পরেই মোশাররফ করিম       আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের তিন মামলায় জামিন      
মোমিন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড ২, যাবজ্জীবন ৬
Published : Thursday, 7 December, 2017 at 2:55 PM, Count : 51
মোমিন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড ২, যাবজ্জীবন ৬স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর কাফরুলে ছাত্রলীগ (জাসদ) নেতা কলেজছাত্র মোমিন হত্যা মামলার আসামি সাখাওয়াত হোসেন জুয়েল ও তারেক ওরফে জিয়াকে নিম্ন আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হাবিবুর রহমান তাজ, জাফর আহমেদ, মনির হাওলাদার, ঠোঁট উচা বাবু, আসিফুল হক জনি ও শরিফ উদ্দিন। তবে এ মামলার অন্যতম আসামি ওসি রফিক মৃত্যুবরণ করায় তার সাজা অকার্যকর ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি নিয়ে বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. বশিরউল্লাহ, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ ও নির্মল কুমার দাস।

মতিঝিল থানার সাবেক ওসি একেএম রফিকুল ইসলাম এ মামলার প্রধান আসামি ছিলেন। তিনি কারাবন্দি অবস্থায় ২০১৫ সালের ২২ ডিসেম্বর মারা যান। এ কারণে মামলাটি বহুল আলোচিত।

২০০৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর খুন হন কলেজ ছাত্র মোমিন। এ ঘটনায় ওই দিনই নিহতের বাবা আবদুর রাজ্জাক বাদি হয়ে ওসি রফিকসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলায় ওসি রফিককে আসামির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে ২০০৭ সালের ১৩ মে অভিযোগপত্র দাখিল করে সিআইডি। এর বিরুদ্ধে বাদি নারাজী আবেদন দিলে ডিবিকে তদন্তের দায়িত্ব দেন আদালত। ডিবিও তদন্ত শেষে ওসি রফিককে বাদ দিয়ে ২০০৮ সালের ২ মার্চ অভিযোগপত্র দেয়।

এরপর বিচার বিভাগীয় তদন্ত হয়। ২০০৮ সালের ৩০ অক্টোবর দেয়া এ তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে ওসি রফিকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ওই বছরের ১১ নভেম্বর এ অভিযোগপত্র গৃহীত হয়। এরপর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এ ২০০৯ সালের ৫ অক্টোবর অভিযোগ গঠন করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এ স্থানান্তর করা হয়। এ আদালতে ওসি রফিকের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ গঠন করা হয় ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি।

এ আদালতেই বিচার শেষে ২০১১ সালের ২০ জুলাই রায় দেয়া হয়। রায়ে ওসি রফিকসহ ৩ জজকে মৃত্যুদণ্ড ও পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী হাবিবুর রহমান তাজসহ ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। এরপর নিম্ন আদালত থেকে ফাঁসি অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স পাঠানো হয় হাইকোর্টে। পাশাপাশি কারাগারে থাকা আসামিরা আপিল করেন। এ আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর ১২ নভেম্বর হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি