আজ বৃহস্পতিবার, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : মীরসরাইয়ের উপকূলে আগত অতিথি পাখির নিরাপত্তা জরুরী       হাইড্রোলিক হর্ন উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ       বিদেশি লিগের ছাড়পত্র পেলেন না 'কাটার মাস্টার'       সু চির খেতাব প্রত্যাহার করল ডাবলিন সিটি কাউন্সিল       শাকিবের পরেই মোশাররফ করিম       আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের তিন মামলায় জামিন       আজ বার্ষিক সংবাদ সম্মেলন করবেন পুতিন      
সুন্দরগঞ্জে ফুল চাষে স্বাবলম্বী লিটন
Published : Friday, 8 December, 2017 at 6:39 PM, Count : 28
সুন্দরগঞ্জে ফুল চাষে স্বাবলম্বী লিটনসুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল গুলোতেও এখন অর্থকারি ফসল হিসেবে গোলাপ ফুলসহ বিভিন্ন জাতের ফুলের চাষ করা হচ্ছে। সারা বছরের ফসল হিসেবে বেশ লাভজনক হওয়ায় ফুল চাষেই অধিক মাত্রাই ঝুকে পড়ছে কৃষকরা। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ছাপড়হাটী ইউনিয়নের রবীন্দ্র নাথের ছেলে কৃষক লিটন গত বছর মাত্র ৬০ শতাংশ জমিতে বিভিন্ন জাতের সাদা, হলুদ, লাল, কাল গোলাপের চাষ শুরু করে। এক বছরেই অর্থনৈতিক দিক থেকে সে স্বাবলম্বী হয়ে উঠে।
ফলে এ বছরও সে নতুন করে শ্রীপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর বাজার সংলগ্ন ৬০ শতাংশ জমিতে গোলাপসহ বিভিন্ন জাতের ফুল চাষ শুরু করেছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন রংয়ের গ্লাডিউলাস, গাঁদা ফুল, চন্দ্রমল্লিকা এবং রজনীগন্ধা চাষেও মনযোগী হয়ে পড়েছে। তার এই সাফল্যে ওই গ্রামের অন্যান্য কৃষকরাও এ বছর গোলাপ চাষ শুরু করেছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, যশোর থেকে গোলাপসহ বিভিন্ন জাতের ফুলের চারা নিয়ে এসে কৃষক লিটন মিয়া ফুল চাষ শুরু করে। বর্তমানে গাইবান্ধা জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে গোলাপ ফুলের চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ফুলের ব্যবসাও জমজমাট হয়ে উঠেছে।
উপজেলা শহরেই গড়ে উঠেছে ৭টি ফুলের দোকান। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারগুলোতেও রয়েছে ফুলের দোকান। মূলত: এক সময় যশোর, রংপুর এবং বগুড়া থেকে ফুল কিনে এনে এসব দোকান চালানো হত। কিন্তু সুন্দরগঞ্জের গ্রামাঞ্চলেই ফুলের চাষ বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন আর তাদের বাইরের জেলা থেকে ফুল কিনে আনতে হয় না। এতে উৎপাদক, কৃষক এবং ফুল বিক্রেতা উভয়ই লাভবান হচ্ছে।
লিটন জানায়, সাধারণত একটি গোলাপ ৩ টাকা দরে বাগান থেকে বিক্রি হয়ে থাকে। ব্যবসায়ীরা প্রতিটি ফুল ৭ টাকা থেকে ১০ টাকা মূল্যে বিক্রি করে থাকে। তবে বিশেষ মৌসুমে যেমন- ভালোবাসা দিবস, পহেলা বৈশাখ, নববর্ষ, একুশে ফেব“য়ারী, স্বাধীনতা দিবসে একটি গোলাপ বাগান থেকে বিক্রি হয় ১০ টাকায়। যা দোকানে বিক্রি হয় ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশেদুল ইসলাম জানান, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মাটি ফুল চাষে অত্যন্ত উপযোগি হওয়ায় ফুল চাষ করে বেশি লাভবান হচ্ছে কৃষকরা। এ কারণে অন্য ফসলের পরিবর্তে কৃষকদের মধ্যে গোলাপ ফুল চাষের চাহিদা বাড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এব্যাপারে ফুল চাষে কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করলে এই উপজেলায় ফুল চাষ করে দেশের বিভিন্ন এলাকাসহ দেশের বাইরেও রফতানি করা সম্ভব হবে।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি