আজ শনিবার, ৭ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২০ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : বিশাল ব্যবধানে শ্রীলঙ্কাকে হারাল টিম টাইগার       শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী নিখোঁজ       তারুণ প্রজন্মকেই আধুনিক সমাজ বিনির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে : শিরীন শারমিন       রক্ত পরীক্ষায় খুব সহজেই ক্যান্সার শনাক্ত!       দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন অর্থমন্ত্রী, আহত ৩০       না.গঞ্জে নিখোঁজের ১২ দিন পর মাদ্রাসার ছাত্রীর লাশ উদ্ধার       সাগরদাঁড়িতে আগামীকাল শুরু হচ্ছে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা      
আদমদীঘিতে রানী ভবানী স্মৃতি চিহ্ন আজ ধ্বংশের পথে
Published : Saturday, 13 January, 2018 at 6:14 PM, Count : 41
আদমদীঘিতে রানী ভবানী স্মৃতি চিহ্ন আজ ধ্বংশের পথেগোলাম মোস্তফা, আদমদীঘি (বগুড়া) থেকে : এককালের অর্ধে বঙ্গেঁশ্বরী পরিচিতি ’’রানী ভবানীর” বিজরিত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামে তার স্মৃতি টুকু ও আজ ধংশের পথে। সংস্কার ও সংরক্ষনের অভাবে মহিয়সী এই নারীর জন্মস্থান হারাতে বসেছে তার ঐতিহ্য। ভেঙ্গেঁ ফেলা হয়েছে তার পিতার বাড়ী যেখানে তিনি ভূমিষ্ঠ হয়ে ছিলে। এখন তার পিতৃ গৃহের ধবংবসা শেষ আছে মাত্র। ভেঙ্গেঁ ফেলা হয়েছে মায়ের স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত জয় দুর্গা মন্দিও এবং শিব মন্দির। এগুলি রক্ষার জন্য সরকারী উদ্দ্যোগ নেওয়া হয়নি কখনো। অথচ এলাকাবাসী এটি সংরক্ষনের দাবী করে আসছেন বহুকাল ধরে। আদমদীঘি উপজেলা সদর থেকে ৪ কিলোমিটার পশ্চিমে পাকা রাস্তার ছাতিনগ্রাম। আজও তার দেওয়া ৩৬৫টি পুকুরের পানি ও মাছ চাষ অব্যাহত রেখে চলেছে এলাকার মানুষ। কেউ দখল কেউ বা লিজ নিয়ে আসছে এ সব সম্পদ। সপ্তদশ শতাব্দীর কথা ছাতিনগ্রামে ছিলেন ছোট খাটো জমিদার নাম ছিল আতœারাম চৌধুরী ও শ্রী জয়দুর্গা দেবী চৌধুরানী। তিনি ছিলেন নিঃসন্তান। সন্তান লাভের আশায় জমিদার তার বাড়ীর অদুরে নির্জন এক পুকুর পাড়ে ঈশ্বরের সাধনা অর্চনা শুরু করেন। শ্রী জয় দুর্গার গর্ভে জম্নে ছিলেন এক ফুট ফুটে কন্যা সন্তান তান নাম রাখা হয় ভবানী। আতœারাম চৌধুরী যে স্থানে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করে ছিলেন সে স্থানটি আজও সিদ্ধেশ্বরী নামে স্মৃতি বহন করে আসছে। ভবানীর বয়স যখন ৯/১০ বৎসর। এক দিন নাটোর রাজবাড়ীর দেওয়াল (মগনেহর) দয়ারাম নবাব আলীবর্দী খানের দরবার থেকে ফেরার পথে ছাতিয়ানগ্রামে এসে রাত হয়ে যায়। সে খানে তাবু ফেলা হয় রাত্রি যাপনের জন্য। নিয়মিত প্রাতঃ ভ্রমনের অভ্যাস ছিল দয়ারামের। ভোরে তিনি শয্যা ত্যাগ করে বেরুলেন তাবু থেকে। দেখলেন ফুট ফুটে একটি মেয়ে লাল শাড়ী পরে পুজার জন্য ফুল তুলছে। দেওয়ান দয়ারামের পছন্দহল ঐ মেয়েটিকে। তিনি পিছু নিলেন মেয়েটির। পৌঁছলেন তিনি আতœারাম চৌধুরীর বাড়ীতে জানলেন মেয়েটি আতœারাম চৌধুরীর। নাম তার ভবানী। দেওয়ান নাটোরের রাজ কুমার রাম কান্তের  সাথে ভবানীর বিয়ের প্রস্তাব দিলেন আতœারামের কাছে। তিনি ভবানীর মতামত জানতে গেলে ৩টি শর্তে বিয়েতে রাজী হন। প্রথম শর্ত ছিল বিয়ের পর তিনি এক বছর পিতার বাড়ীতে থাকবেন। এক বছরে প্রতিদিন একটি করে পুকুর স্থাপনের জন্য ছাতিয়ানগ্রামে ৩৬৫ টি পুকুর খনন করে দিতে হবে। ২য় র্শত ছিল ছাতিয়ানগ্রাম থেকে নাটোর পযর্ন্ত নতুন রাস্তা নির্মান করে পুরো রাস্তায় লাল সালুর কাপড় দিয়ে ছাউনী তৈরী করতে হবে। যার ভিতর দিয়ে স্বমীর বাড়ী যাবেন। তৃতীয় র্শত ছিল এলাকার প্রজাদেও ভূমি দান করে তাদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। ছাতিয়ানগ্রামে ৩৬৫টি পুকুরের স্মৃতি চিহ্ন আজও বিদ্যমান। ছাতিয়ানগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের পূর্বদিকে যে রাস্তাটির স্মৃতি চিহ্ন রয়েছে। সে রাস্তাটির নাম ছিল ভবানীর জাঙ্গাঁল। উক্ত সড়কটি ছাতিয়ানগ্রাম থেকে নাটোর পযর্ন্ত বিস্মৃত ছিল এ থেকে প্রমান হয় রাজকুমার রামকান্ত সকল শর্ত পূরন করে রানী বানিয়ে ছিলেন। ভবানীর বিয়ের পর মা জয়র্দৃগা দেবী দেহ ত্যাগ করেন। 


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি