আজ বুধবার, ৪ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : বনানীতে তরুণী ধর্ষণ: প্রতিবেদন ৭ ফেব্রুয়ারি       ৬ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন দেয়ার নির্দেশ       ডিএনসিসির উপ-নির্বাচন স্থগিত       কলম্বিয়ায় সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত : নিহত ১০       রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তির বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের গভীর উদ্বেগ       উত্তরা মেডিকেলের ৫৭ শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রমে বাধা নেই       না.গঞ্জে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত দুই      
দুধকুমর নদীর তীরে তীরে কুসুম ফুলের চাষ
সরিষার বিকল্প হিসেবে চাষ করছে কৃষকরা
Published : Sunday, 14 January, 2018 at 8:20 PM, Count : 51
দুধকুমর নদীর তীরে তীরে কুসুম ফুলের চাষনূর-ই-আলম সিদ্দিক, কচাকাটা (কুড়িগ্রাম) থেকে : নাগেশ^রীতে বন্যা পরবর্তীতে দুধকুমর নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চল ভূমিগুলো এখন যেন কুসুম ফুলের বাগান। এই কুসুম ফুলকে স্থানীয়ভাবে অনেকেই তীল,তীষি,সয়াবিন ও গুজিতীলনামেই চেনে। বন্যার পরবর্তীতে ক্ষতি পুশিয়ে নিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরিষার বিকল্প হিসাবে উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় বেছে নিয়েছেন এই কুসুম ফুলের চাষ। সেই কুসুম ফুলের হলদে রংয়ে যেন হলুদিয়া বধু সেজেছে উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে জেগে উঠা অববাহিকা এবং নি¤œাচঞ্চলের পলিযুক্ত জমিগুলো। সরকারী পৃষ্টপোষকতা ছাড়াই প্রতিবছরই বাড়ছে তৈলবীজ জাতীয় এ শস্যের চাষ। এর আগে এ এলাকায় কুসমু ফুলের চাষ সল্প পরিসরে হলেও এখন তা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন। এর কারণ হিসাবে কুসুম ফুলের বীজকে সরিষার তেলের বিকল্প এবং চাষাবাদেও সল্প ব্যয় ও অল্প পরিচর্যায় ফসল ঘরে তোলা যায় তাই কুসুম ফুল চাষে আগ্রহ বাড়ছে এমনটি জানালেন চরাঞ্চলের অনেক মানুষ।
উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদীর অবাহিকাও চরাঞ্চলীয় এলাকা ঘুরে দেখা গেছে- কুসুম ক্ষেতের হলদে ফুলের হলদে রংয়ে যেন হলুদময় বিস্তৃত মাঠ। সকাল আর পরন্ত বিকেলের সোনালী রোদ যেন হলদে রংয়ের চাঁদর বিছিয়ে দেয় কুসুম ফুলের ডগায় ডগায়,যা দেখে চোখ জুড়ে যায় প্রকৃতীপ্রেমীদের। সল্প ব্যয়ে,সল্প পরিচর্যায় বেড়ে উঠা এ শষ্যটি বিঘা প্রতি ফলন হয় ৪-৫ মণ। যা মণ প্রতি বিক্রি হয় ২৫০০-২৭০০ শত টাকায়। তবে সরকারী পৃষ্টপোষকতায় শষ্যটি চাষাবাদ করা গেলে বিঘা প্রতি এর ফলন যেমন আরো অনেকটা বেড়ে যাবে-তেমনি চাষাবাদেও আরো অনেকেই এগিয়ে আসবে এমনটিও জানালেন এলাকার কৃষক নামেব সোনার মানুষগুলো।
কচাকাটা ইউনিয়নের শৌলমারী এলাকার কৃষক আব্দুল মালেক, কেদার ইউনিয়নের কৃষক টেপারকুটি গ্রামের মাহাবুর জানান, সরকারী পৃষ্টপোষকতা ছাড়াই নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তারা অনেক আগে থেকে এ শস্যের চাষ করে থাকেন। যা থেকে নিজেদের ভোজ্য তেলের চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি উপার্জন করেন। এ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে অনেকেই কুসুম ফুল চাষে এগিয়ে আসছে দিনদিন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদার রহমান জানান, কুসুম ফুল বা গুজি তীলের চাষ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সে রকম প্রচলন নাই। তবে এ উপজেলার নদী তীর এবং চরাঞ্চলে কৃষকরা নিজ উদ্যোগে এর চাষ করে থাকে। এই শস্যের তেল ভোজ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যার পুষ্টিগুন অন্যান্য ভোজ্য তেলের চেয়ে ভালো।



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি