আজ বুধবার, ৪ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : না.গঞ্জে আইভী-শামীম সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত       স্বামী হত্যায় স্ত্রীসহ তিন জনের ফাঁসির রায়       গোপালগঞ্জে আরমানুলের তৈরি এয়ারপ্লেন আকাশে       ডিএনসিসি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট, আদেশ কাল       সরকারের আশ্বাসে অনশন ‌ভাঙলেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী শিক্ষকরা       প্রণব মুখার্জিকে ডি-লিট ডিগ্রি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের       একনেকে ১৮৪৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৪ প্রকল্প অনুমোদন      
সংলাপ হতে পারে, তবে আগামী নির্বাচন নিয়ে নয়
Published : Sunday, 14 January, 2018 at 8:38 PM, Count : 21
স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংলাপের দরজা চিরদিনের জন্য বন্ধ করতে চাই না, আমরা একটা রাজনৈতিক দল। প্রয়োজনে সংলাপ হতে পারে, তবে আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংলাপের প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। গতকাল শনিবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। জাতির উদ্দেশে দেয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণে জনগণ নয়, বিএনপিই হতাশ। আগামী জাতীয় নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে বিএনপি নেতারা এখন আবোল তাবোল বকছেন। মিথ্যাচারের পুরনো ভাঙা রেকর্ড আবারো বাজাচ্ছেন তারা। আজ তারা (বিএনপি নেতা) হতাশার বালুচরে হাবুডুবু খাচ্ছেন। আগুন সন্ত্রাস চালিয়ে তারা তাদের ভোট ব্যাংকের যে ক্ষতি করেছেন তার মাশুল তাদের অনেকদিন দিতে হবে। এ মাশুল শুধু নির্বাচনে নয়, আরও অনেক দিন দিতে হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির অধিকার, এটা সুযোগ নয়। সরকারের দয়া দাক্ষিণ্যের ওপর বিএনপি নির্বাচন করবে। তাহলে সংলাপে বসাবসি কি প্রয়োজন। এখানে জটিলতা আছে বলে জনগণ মনে করে না। সংলাপ কেন হবে না? প্রয়োজন হলে হবে কিন্তু এখন নির্বাচনের ব্যাপারে সংলাপের প্রয়োজন দেখছি না। তাছাড়া সংলাপের রাস্তা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিজেই বন্ধ করেছেন। টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অসৌজন্য আচরণ করেছিলেন। অশ্রাব্য ভাষার ব্যবহার করেছিলেন। সেদিন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে গণভবনে আসলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ অন্যরকম হতো।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আরাফাত রহমান কোকো মারা যাবার পর প্রধানমন্ত্রী তাকে সমবেদনা জানাতে গেলে দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে সংলাপের পরিবেশ নষ্ট করেছিল বিএনপি। সেদিন ঘরের দরজা বন্ধ করে সংলাপের দরজা বন্ধ করেছে। সেতুমন্ত্রী বলেন, সংলাপের আহ্বান বিএনপির স্ট্যান্টবাজি, সংলাপের কথা যতই বলে। সংলাপের মানসিকতা তাদের মধ্যে নেই। সংলাপ তারা চাই না, সংলাপের ইচ্ছা থাকলে সেদিন নোংরা ভাষায় সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করতো না। ক্রাইসিস পরিস্থিতি সৃষ্টি তারা জনগণকে নিয়ে করতে পারবেন না। তাদের জনগণের সমর্থন নেই। তারা পারবে আগুন সন্ত্রাস করতে। তবে এটা করলে জনগণই তাদের প্রতিহত করবে। সংলাপের দরজা আমরা বন্ধ করি নাই। রাজনৈতিক দল হিসেবে তা আমরা পারি না। তবে সেটা বিএনপির সঙ্গেই হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। অন্য কারো সঙ্গেও হতে পারে। আর নির্বাচন সুষ্ঠু হলে সংলাপের প্রয়োজন কি? আওয়ামী লীগের শাসনামল পাকিস্তানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের সঙ্গে তুলনার কঠোর সমালোচনা করে কাদের বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামল আইয়ুব খানের সঙ্গে তুলনা করে, তারা প্রকারান্তরে পাকিস্তানের ভাবধারায় বিশ্বাস করে এবং তাদের রাজনীতি এটা বুঝিয়ে দিয়েছেন।
সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়টি উল্লেখ নেই মওদুদ আহমেদ এমন বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, মওদুদ সাহেবের ব্যাপারে যত কম কথা বলা যায় তত ভালো। তিনি বহুরূপি ব্যারিস্টার। তিনি আইনের কথা বলে বেআইনি কথা বলছেন। সংবিধানে সবই আছে। আইন আছে, অনেক বিধি-বিধান আছে। আপনি আরেকবার ভালো করে সংবিধান দেখবেন। প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণ জনগণ গ্রহণ করেছে। এ ভাষণ যারা শুনেছেন তারা এক বাক্যে গ্রহণ করেছে, প্রশংসা ও সমর্থন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এ ভাষণ গঠনমূলক ইতিবাচক ও রাষ্ট্রনায়ক সুলভ। এ ভাষণ পরবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নয়, পরবর্তী প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। দলমত নির্বিশেষে এমনকি বিএনপি সমমনা ও সমর্থকরাও পজেটিভ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেখেন। তিনি জাতির স্বার্থে এ ভাষণ দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মাহবুব উল আলম হানিফ, আহমদ হোসেন, ফরিদুন্নাহার লাইলী, আবদুস সোবহান গোলাপ, দেলোয়ার হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, রোকেয়া সুলতানা, বিপ্লব বড়ুয়া, আনোয়ার হোসেন, গোলাম রাব্বানী চিনু প্রমুখ।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি