আজ মঙ্গলবার, ৩ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৬ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : সরকারের আশ্বাসে অনশন ‌ভাঙলেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী শিক্ষকরা       প্রণব মুখার্জিকে ডি-লিট ডিগ্রি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের       একনেকে ১৮৪৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৪ প্রকল্প অনুমোদন       ৮ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল       সিদ্ধান্তে অটল শাকিব খান, সমঝোতা চান অপু বিশ্বাস       চাঁদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩        আজ আ.লীগের মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা      
রাজধানীর অধিকাংশ এলাকায় বাসা-বাড়িতে দিনের বেলায় চুলা জ্বলে না
Published : Sunday, 14 January, 2018 at 8:46 PM, Count : 27
আকতার হোসেন : ঢাকায় বাসাবাড়িতে গ্যাসের সংকট নতুন কিছু নয়। তবে আগে ছিল শুধু শীতকালে, এখন সারা বছর। রাজধানীতে এখন গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। গ্যাসের দাম গত বছর দেড় গুণ বাড়লেও গৃহিণীদের দুর্ভোগ কমেনি বরং বেড়েছে। তিতাসের পাইপলাইন গ্যাস সুবিধা থাকা সত্ত্বেও রাজধানীর বহু এলাকায় এখন সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন গৃহিণীরা। কারণ তিতাসের গ্যাস সারাদিনই থাকে না। অনেকেই বলছেন, তারা বড় বিপাকে আছেন। কারণ তিতাসের লাইনের গ্যাস না পেলেও প্রতি মাসে তাদের বিল গুনতে হচ্ছে। এদিকে শীত জেঁকে বসতে না বসতেই নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গ্যাস সংকটে সমস্যা হচ্ছে নিত্যদিনের রান্নায়। অধিকাংশ এলাকায় সকাল থেকে বিকেল অবধি গ্যাসের চাপ নেই বললেই চলে। ফলে বাধ্য হয়ে রাতে অথবা কাকডাকা ভোরে দিনের রান্নার কাজ শেষ করতে হচ্ছে গৃহিণীদের। বহু এলাকায় দিনের বেলায় চুলাতে গ্যাস থাকছে না। ফলে বাসায় রান্না করতে পারছেন না শহরের বহু লোকজন। বেশিরভাগ সময় বাইরে থেকে খাবার কিনে এনে খেতে হচ্ছে তাদের। নিত্য প্রয়োজনীয় রান্নার এই কাজের জন্য কেউবা খুঁজে নিয়েছেন বিকল্প ব্যবস্থা। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের কর্মকর্তারা বলেন, রাজধানীতে গ্যাসের চাহিদা ও ব্যবহার শতকরা ২০ ভাগ বেড়েছে। গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী গরমকালেই অনেক সময় গ্যাসের সরবরাহ ব্যাহত হয়, আর এখন শীতের কারণে চাহিদা অনেক বৃদ্ধি পাওয়ায় এ সংকট দেখা দিয়েছে।
রাজধানীর পুরান ঢাকার নাসির উদ্দিন সরদার লেনের বাসিন্দা গৃহিণী ইমা হোসেন বললেন, গ্যাস নিয়ে বলার কিছু নেই। গ্যাস সকাল ৬টায় যায়, রাত ১২টায় আসে। এই এলাকায় গ্যাসের অবস্থা শোচনীয়। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে একটি সিলিন্ডার কিনেছেন তিনি। এতে বাড়তি খরচ হচ্ছে, পরিবারের মাসিক বাজেট কাটছাঁট করতে হচ্ছে। অভিযোগ করেন নিয়মিত গ্যাস না পেয়েও গ্যাস বিল দিতে হচ্ছে। বাচ্চা নিয়ে শীতে ব্যাপক সমস্যায় আছেন বলে উল্লেখ করেন এ গৃহিণী। কারণ হিসেবে তিনি বললেন, প্রচ  শীত। তাদের জন্য পানি গরম করতে হয়। বাচ্চাদের ঠা া খাবার দিতে ডাক্তার নিষেধ করেছেন। অথচ গ্যাস থাকছে না। এমন কি সকালে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ চা তৈরি করা যাচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, বাসায় অতিথি আসলে বেকারি আইটেম খাবার খাওয়াইয়ে বিদায় দিতে হয়।
রাজধানী নয়াবাজার এলাকার বাসিন্দা রোকেয়া হোসেন সনি বলেন, তাদের এলাকায় গত দুই-তিন দিন ধরে সকালে ব্যাপক গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। সকালবেলা গ্যাসের গতি কম থাকে। তাই নিরুপায় হয়ে রাতের বেলায় রান্নার কাজ শেষ করে রাখতে হয়। তিনি আরো বলেন, গ্যাস না থাকায় বাসায় কোন মেহমান আসলে লজ্জাই পড়তে হয়। তাই গত কয়েকদিন ধরে বাসায় কোন মেহমান আসতে মানা করছি। নিজেদের আত্মীয় স্বজনদের গ্যাস সংকটের কথা বুঝিয়ে বলে দিতে হচ্ছে। তারপরও মেহমান আসলে হোটেল থেকে খাবার এনে আপ্যায়ন করতে হয়।
রাজধানীর আজিমপুরের বাসিন্দা ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, তাদের বাসায় গ্যাসের সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। গত দু’দিন ধরে লাইনে গ্যাস না থাকায় ঘরে রান্নাবান্না বন্ধ। এ সময় বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডের বাসিন্দা ডলি আক্তার বলেন, তীব্র গ্যাস সংকটে খুব সমস্যায় পড়েছেন। সকাল ৭টা বাজতে না বাজতেই গ্যাস চলে যায়। লাইনে টিপ টিপ করে গ্যাস আসায় রান্নাবান্না বন্ধের উপক্রম হয়েছে। অনেক গৃহবধূ চুলায় হাঁড়ি চড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে গ্যাস আসার অপেক্ষা করছেন। নিয়মিত গ্যাস বিল পরিশোধ করেও প্রয়োজনের সময় গ্যাস পাচ্ছেন না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকেই।
লালবাগ ও আজিমপুর এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই এলাকায় সকাল ৭টার আগেই গ্যাসে চলে যায়। আবার রাত ১১টার পরে আসে। এর ফলে তাদের রান্না-বান্নায় ব্যাপক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। ফজলুর রহমান নামের লালবাগের এক বাসিন্দা বলেন, বাচ্চাদের জন্য বাইর থেকে খাবার কিনে আনতে হচ্ছে।
রাজধানীর আজিমপুরের বাসিন্দা বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী গৃহবধূ উম্মে হাবিবা প্রতিদিন সকালে স্কুল পড়ুয়া ছেলে-মেয়ে ও ব্যবসায়ী স্বামীর জন্য দুপুরের খাবার রান্না করে তারপর অফিসে রওয়ানা হন। হটপটে করে নিজের জন্যও নিয়ে যান লাঞ্চ। কিন্তু গত দু’দিন যাবত লাইনে গ্যাস না থাকায় ঘরে রান্নাবান্না বন্ধ। এ সময় বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে বাধ্য হয়েছেন। বিকেলে অফিস থেকে ফিরেই তথৈবচ অবস্থা। এক কাপ চা খাবেন সেই পানিও গরম করার জো নেই। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে উম্মে হাবিবা বলেন, তীব্র গ্যাস সংকটে খুব সমস্যায় পড়েছেন। সকাল ৭টা বাজতে না বাজতেই গ্যাস চলে যায়। লাইনে টিপ টিপ করে গ্যাস আসায় রান্নাবান্না বন্ধের উপক্রম হয়েছে। অনেক গৃহবধূ চুলায় হাড়ি চড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে গ্যাস আসার অপেক্ষা করছেন। গোসলের জন্য চুলায় পানি গরম করবো তারও জো নেই। তিনি জানতে চান, এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ মিলবে কবে?
জানা গেছে, রাজধানীর মোহাম্মদপুর, বসিলা, যাত্রাবাড়ী, আদাবর, পশ্চিম আগারগাঁও, শ্যাওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, কাফরুল, মিরপুর, সোবহানবাগ, পশ্চিম ধানমন্ডি, লালবাগ, সোবহানবাগ, ইন্দিরা রোড, তাঁতি বাজার, শাঁখারি বাজার, নয়াবাজার, কসাইটুলি, কামরাঙ্গীর চর, কলতাবাজার, লক্ষীবাজার, নারিন্দা, টিপু সুলতান রোড, নাজিরা বাজার, নাজিম উদ্দিন রোড, উত্তরা, দক্ষিণ খান, বনশ্রী ও রামপুরা বাসাবো, কমলাপুর, খিলগাঁও, মগবাজার-মালিবাগ ও শান্তিনগর এলাকায় গ্যাস সংকট সবচেয়ে বেশি। এসব এলাকার লোকজন রান্নার জন্য বিকল্প উপায় খুঁজে নিয়েছেন বা হোটেল থেকে তৈরি খাবার কিনে আনছেন। এসব এলাকায় সারাদিন চুলা জ্বলে না। জ্বললেও মিটমিট করে। কোথাও সকালেই গ্যাসের চাপ কমে যায়। কোথাও সন্ধ্যায় গ্যাস পাওয়া যায়। গ্যাসের চাপ পাওয়া যায় মূলত রাত ১১টার পর থেকে ভোর পর্যন্ত।
রাজধানীতে শীতে গ্যাস সংকট যেন অতি সাধারণ বিষয়। প্রতিবার শীতের সময় এ নিয়ে অভিযোগ করেন ভোক্তারা। তবে তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তারা জানান, এ সময় গ্যাসের চাহিদা বেড়ে যাওয়া, সরবরাহ লাইনে ক্রুটি এবং অবৈধ সংযোগের কারণেই নাকি এই সমস্যা দেখা দেয়। এ নিয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের এক কর্মকর্তার গৎবাধা উত্তর, শীত চলে গেলেই গ্যাস সংকটের সমাধান হবে। কিন্তু গ্যাস সংকট কেবল শীতেই হয়, এমনটি নয়, গরমের সময় রাজধানীর অনেক এলাকায় গ্যাস সরবরাহে স্বল্পতা লক্ষ্য করা যায়। এ সম্পর্কে ইন্দিরা রোডের এক গৃহিনী বলেন, ‘গ্যাস সংকট আমাদের দৈনন্দিন বিষয়। কিন্তু শীতে অবস্থার চরমে পৌঁছায়। তখন দিনের বেলায় এক হাড়ি পানি গরম করতে কয়েক ঘণ্টা সময় লেগে যায়।’ অনেক এলাকায় তো দিনেমানে চুলায় কোনো গ্যাসই থাকে না। তাদের রান্না করার জন্য গভীর রাত অব্দি জেগে থাকতে হয়। কেউ কেউ রান্না করেন ভোর রাতে।
এ নিয়ে বনশ্রীর বাসিন্দা যুথী রহমান বলেন, ‘আমরা তো সকালে গ্যাসের চুলায় কোনো রান্নাই করতে পারি না। সব রান্না করি রাতে। এসব খাবার ফ্রিজে রেখে দেই। পরে ওভেনে গরম করে নেই।
চুলায় গ্যাস থাকে না বলে প্রতিদিন নাস্তা না করেই অফিসে আসেন ব্যাংকার সায়েদুর রহমান। তালবাগের এই বাসিন্দা ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চ করেন এলাকার এক রেস্টুরেন্টে। যেসব এলাকায় গ্যাস সংকট প্রকট সেখানকার রেস্টুরেন্টগুলো অবশ্য রান্নার বিকল্প উপায় খুঁজে নিয়েছে। তারা স্টোভ বা কাঠের চুলায় রান্না করে থাকে। এলাকায় গ্যাস না থাকায় এসব রেস্টুরেন্টে খদ্দেরের সংখ্যা বেড়ে গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী এপ্রিল মাসে এলএনজি আমদানি শুরু হলে গ্যাসের ঘাটতি ৫০ শতাংশ দূর হবে। তখন পরিস্থিতির উন্নতি হবে। তখন আবাসিক এলাকায় গ্যাস সংকট থাকবে না। জানা যায়, রাজধানীতে গ্যাস সমস্যার একটি বড় কারণ চুরি। আবাসিক খাতে গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকায় অবৈধভাবে গ্যাসের ব্যবহার বাড়ছে। তিতাস গ্যাস কর্মকর্তারা জানান, গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীতে তীব্র আকারে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। এ কারণে আবাসিকে চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। গ্যাস কোম্পানি ও জ্বালানি বিভাগ, সিএনজি স্টেশন মালিক ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মূলত চারটি কারণে বর্তমানে গ্যাসের সংকট প্রকট। এগুলো হলো- চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতি, বিতরণ পাইপ লাইনে সীমাবদ্ধতা, বসতি বেড়ে যাওয়া ও অবৈধ সংযোগ।
এই ব্যাপারে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর মসিউর রহমান বলেন, চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতিই সমস্যার মূল কারণ। রাজধানীতে গ্রাহকের চাহিদা দুই হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে ১৭০০ ঘনফুট গ্যাস। আগে থেকেই প্রতিদিন ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সংকট রয়েছে। এর সঙ্গে শীতে একটু চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে গ্যাসের সংকট বেড়েছে। কিছু কিছু এলাকায় বিতরণ লাইনগুলো অনেক সরু। ফলে লাইনের শেষ প্রান্তে যারা বাস করেন, তাদের গ্যাস পেতে সমস্যা হয়। তিনি আশা করেন শিগগিরই এ সমস্যা দূর হবে।
রাজধানীর বিভিন্ন আবাসিক এলাকার  বেশ কিছু এলাকায় গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দেয়ায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নিয়মিত গ্যাস বিল পরিশোধ করেও প্রয়োজনের সময় গ্যাস পাচ্ছি না। তিতাস গ্যাস কর্মকর্তারা বলছেন গত কয়েকদিন যাবত রাজধানীতে তীব্র আকারে শীত জেঁকে বসেছে। এ কারণে আবাসিকে চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। তাছাড়া তীব্র শীতের কারণে বিভিন্ন লাইনে গ্যাস জমে যাওয়ায়ও স্বাভাবিক সরবরাহ বিঘিœত হচ্ছে।






« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি