আজ সোমবার, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : চলে গেলেন রংপুরের সাবেক মেয়র ঝন্টু       খালেদার জামিনের আদেশ নথি আসার পর       জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেদায়েত উল্লাহ       কোটা পদ্ধতির সংস্কার দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা       নবীগঞ্জে অজ্ঞাত কিশোরীর লাশ উদ্ধার       মণিরামপুরে ৪ দিন ধরে শিশু শ্রমিক নিখোঁজ       দুই সিটির উপ-নির্বাচন স্থগিত, রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ      
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সিন্ডিকেট দৌরাত্ম্য
Published : Tuesday, 13 February, 2018 at 8:55 PM, Count : 1410
স্টাফ রিপোর্টার : শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রশাসনিক পদগুলোতে বছরের পর বছর ঘুরেফিরেই ‘মুখচেনা’ কর্মকর্তারাই আসীন রয়েছেন। নিয়মানুযায়ী, এমনও অনেক পদ আছে যেগুলোতে শিক্ষা ক্যাডারের সিনিয়র অধ্যাপককে দায়িত্ব দেয়ার কথা, কিন্তু তদবিরের জোরে পদ আকড়ে বসে আসেন সহযোগী অধ্যাপক পদের ব্যক্তিরা। প্রথমে ছোট পদে প্রেষণে পদায়ন নেন তারা। এরপর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একে একে সিঁড়ি বেয়ে বড় পদে পদায়ন নেন।
প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা না থাকায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধসহ দাফতরিক অনেক কাজে অদক্ষতার প্রমাণ দেয়ায় শিক্ষা প্রশাসনকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। এতে সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষুণœ হচ্ছে। ছোট থেকে বড় পদে ৮-১০ বছর পর্যন্ত একই ব্যক্তিরা থাকায় সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। কাজে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষা প্রশাসনের সবারই জানা। অভিযোগ রয়েছে- ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি গ্রুপ আর বিজি প্রেসের একটি গ্রুপ মিলে বড় সিন্ডিকেটে রূপ নিয়েছে। এই সিন্ডিকেট প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত।
ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের পদটি প্রায় দুই মাস ধরে শুন্য। বোর্ডের সচিব মো. শাহেদুল খবিরকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের অর্থনীতি বিষয়ের সহযোগী অধ্যাপক। চেয়ারম্যানের পদটি সিনিয়র প্রফেসর পদ মর্যাদার। এ বোর্ডের চেয়ারম্যানকে মাউশির (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর) মহাপরিচালকের পদে বসানো প্রথায় পরিণত হয়েছে। সচিবের পদটিও সিনিয়র অধ্যাপক পদ মর্যাদার। ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদাধিকার বলে আন্ত:শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি।
প্রফেসর না হলেও মো. শাহেদুল খবিরকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়ায় পদটির অমর্যাদা হচ্ছে বলে একাধিক বোর্ডের চেয়ারম্যান অভিযোগ করেছেন। তারা শাহেদুল কবিরের সঙ্গে বৈঠক করতেও বিব্রত হচ্ছেন। বিষয়টি দেখেও না দেখার ভ্যান করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। চেয়ারম্যান ও সচিবের নিচের দুটি পদও প্রফেসর পদমর্যাদার। অধ্যাপক পদ মর্যাদার কাউকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব না দেয়ায় তারও ক্ষুব্ধ। এ ধরণের উদ্ভট পরিস্থিতির মধ্যেই চলছে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড।
অভিযোগ রয়েছে, শাহেদুল খবির চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় পড়ার সময়ে ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ওই সময়ে ‘জা’ অধ্যক্ষরের একই সংগঠনের এক বড় ভাইর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন তিনি। বর্তমানে ওই বড় ভাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্তি সচিব। তিনিই শাহেদুল খবিরকে বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে বসিয়েছেন। তাকে দিয়েই বোর্ড চালাতে চাচ্ছেন। এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ এ পদে কাউকে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে না। অনভিজ্ঞ হওয়ায় চলমান এসএসসি পরীক্ষায় ধারবাহিকভাবে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে ঢাকা বোর্ড। ২০০৯ সালে প্রথমে তিনি বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক হিসেবে প্রেষণে দায়িত্ব পান। পরে ভারপ্রাপ্ত সচিব। সেখান থেকে সচিব হন। অর্থাৎ টানা নয় বছর এই বোর্ডে প্রেষণে আছেন। চাকরি বিধি অনুযায়ী তিন বছরের বেশি সরকারি কর্মকর্তার প্রেষণে থাকতে পারেন না। এ বিধি লঙ্ঘন করেই তিনি বোর্ডে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেটকে খুশি না করলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমোদন, স্বীকৃতি, পরীক্ষার কেন্দ্রে, প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর আসন নির্ধারণ, পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষক নিয়োগসহ বোর্ডের কোনো সেবা মিলে না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহেদুল খবির গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় ভোরের ডাককে বলেন, বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিষয়টি আমি জানি না। সরকার যদি বদলি-পদায়ন করে সেটা সরকারের ইচ্ছা। আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, আমি দায়িত্ব পালন করছি। অপর এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রশ্নই আসে না। যা মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
২০০৯ সাল উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হয়ে বোর্ডে আসেন তপন কুমার সরকার। বর্তমানে তিনি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। এই পদটিও সিনিয়র অধ্যাপক পদ মর্যাদার হলেও তিনি এখনও পদার্থ বিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তার ইশারা ছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে নির্ধারণ হয়না। তিনি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অখ্যাত প্রতিষ্ঠানে কেন্দ্র স্থাপন করার অনুমোদন দিয়েছেন। ঢাকা বোর্ডের অধীন রাজধানীর শিক্ষা ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠানসহ প্রতন্ত অঞ্চলে কেন্দ্রের অনুমোদন দিয়েছেন। এটি প্রশ্নফাঁস হওয়ার বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি।
অভিযোগ রয়েছে, ঢাকার অনেক শিক্ষা ব্যবসায়ী কলেজের পরীক্ষার্থীদের বিশেষ সুবিধা দিতে একে অন্যের প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা দেয়ার আয়োজন করেছেন তপন কুমার। বিনিময়ে তিনি মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়েছেন। অভিন্ন ক্যাম্পাস ছাড়া কেন্দ্র অনুমোদনের বিধান না থাকলেও তিনি সে সুযোগ দিয়েছেন। রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে প্রায়ই শিক্ষা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাকে আড্ডা দিতে দেখা যায়। চলমান এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানালেও তিনি ব্যবস্থা নেন নি। বরং প্রতিদিন কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছেন। প্রশ্নফাঁস চক্রের সঙ্গে তার জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তারই সহকর্মীরা।
কলেজ পরিদর্শক ড. মো. আশফাকুস সালেহীন ২০০৯ সাল থেকেই প্রেষণে বোর্ডে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি মাউশির উপ-পরিচালক (কলেজ) ছিলেন। কলেজ পরিদর্শক পদটি সিনিয়র অধ্যপক মর্যাদার হলেও অর্থনীতির বিষয়ের এক সহযোগী অধ্যপক বহু বছর ধরে আকরে রেখেছেন। তবে সম্প্রতি তিনি প্রফেসর হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে কলেজের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আসন নির্ধারণে ব্যাপক ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। ‘বাণিজ্যিক কলেজ’ মালিকদের সঙ্গে তার বিশেষ সখ্যতা রয়েছে। সম্প্রতি তিনি উত্তরা স্কুল অ্যান্ড কলেজের কমিটি গঠনে পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার শিক্ষামন্ত্রীকে অভিযোগ করার পরেও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এ নিয়ে বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করছে।
বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক এ টি এম মইনুল হোসেন ২০১৩ সাল থেকে প্রেষণে কর্মরত আছেন। ২০০৯ সালে মাউশির উপ-পরিচালক (কলেজ-১) পদে কর্মরত ছিলেন। ওই পদে থাকাকালিন তার বিরুদ্ধে ব্যাপক ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ সরিয়ে দেয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক সম্প্রতি পদোন্নতি পেয়ে প্রফেসর হয়েছেন। এরপরই তিনি আগের চেয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেন। ঘুষ ছাড়া কোনো স্কুলের পাঠদান ও স্বীকৃতির প্রতিবেদন পক্ষে দেন না। রাজধানীর নামকরা স্কুলে ভর্তি ব্যাণিজ্যের সঙ্গে তার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি দুদকের সুপারিশ অনুযায়ী রাজাধানীর সরকারি হাইস্কুলের ২৫ কোচিংবাজ শিক্ষকে ঢাকার বাাইরে বদলি করা হয়েছে। আরও ৫২২জনকে বদলির প্রক্রিয়া চলছে। আর এমপিওভুক্ত ৭২ জনকে কারণ দর্শানো হয়েছে। তাদের রক্ষায় অভিভাবকদের মাঠে নামানোর ইন্ধন দেয়ার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। কোচিংবাজ শিক্ষকদের সঙ্গেও তার সখ্যতা রয়েছে। তাদের কাছ থেকে মাসোহারা নেন বলে একাধিক শিক্ষক জানিয়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রীর সাবেক একান্ত সহকারী (এপিএস) মনমন্থন রঞ্জন বাড়ৈ ২০১৩ সাল থেকে বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এপিএস থাকাকালীন তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ‘দুর্নীতির হাট’ বসিয়ে ছিলেন। দুর্নীতির একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে তাকে সরিয়ে দেয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, তার সঙ্গে ‘জা’ অধ্যাক্ষরের একজন অতিরিক্ত সচিবের সখ্যতা রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর সাবেক এই এপিএসের নির্দেশ ছাড়া শিক্ষা প্রশাসনে কোনো বদলি, পদোন্নতিসহ কোনো কাজ হয় না।
ব্যবস্থাপনার সহকারী অধ্যাপক অদ্বৈত কুমার রায় ২০১৩ সাল থেকে বোর্ডের বিভিন্ন কর্মরত পদে আছেন। এর আগে ২০০৯ সাল থেকে মাউশির উপ-পরিদর্শক (কলেজ-১) পদে ছিলেন। উপ-পরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) মো. ফজলে এলাহী ২০১০ সাল থেকে বোর্ডের বিভিন্ন পদে আছেন। অর্থনীতি বিষয়ের এই সহযোগী অধ্যাপকের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ আল মাসুদ করিমও অর্থনীতি বিষয়ের সহযোগী অধ্যাপক। তিন বছর পার করেছেন বোর্ডে। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের শিক্ষক হলেও তিনি কলেজে পড়াতে স্বাচ্ছন্দ বোদ করেন না।
উপ-সচিব (প্রশাসন ও সংস্থাপন) মুহাম্মদ নাজমুল হক ২০০৯ সাল থেকে বোর্ডে ‘খুঁটি গেড়েছেন।’ ব্যবস্থাপনা বিষয়ের এই সহযোগী অধ্যাপক এর আগে উপ-পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক ও উপ-সচিব পদে ছিলেন। বাংলা বিষয়ের সহযোগী অধ্যাপক মাসুদা বেগম ২০০৯ সাল থেকে উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (সনদ) পদে কর্মরত আছেন। বোর্ডের সবচেয়ে নবিন কর্মকর্তা হলেন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তারেক বিন আজির। তিনিও তিন বছর বোর্ডে পার করতে যাচ্ছেন।
এসব কর্মকর্তারা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা কার্ডারের। তাদের মূল পদ সরকারি কলেজ হলেও তারা শিক্ষার্থীদের পড়াতে অনিচ্ছা। ঘুরে ফিরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে আকড়ে থাকছেন। গত বছর শিক্ষা মন্ত্রণালয় তিন বছরের বেশি কোনো শিক্ষক প্রশাসনিক পদে থাকতে পারবেন না-এমন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। খোদ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ই এসব কর্মকর্তাদের বদলি করছে না। সার্বিক বিষয়ে জানতে শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন কে একাধিকবার ফোন করেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।






« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি