আজ রবিবার, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেদায়েত উল্লাহ       কোটা পদ্ধতির সংস্কার দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা       নবীগঞ্জে অজ্ঞাত কিশোরীর লাশ উদ্ধার       মণিরামপুরে ৪ দিন ধরে শিশু শ্রমিক নিখোঁজ       দুই সিটির উপ-নির্বাচন স্থগিত, রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ       জিয়া চ্যারিটেবল মামলার শুনানি কাল পর্যন্ত মুলতবি       স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ২০      
ব্যাংকে নগদ টাকার সংকট
আমানতের সুদ বাড়ান
Published : Wednesday, 14 February, 2018 at 6:12 PM, Update: 13.02.2018 6:13:50 PM, Count : 162
সম্প্রতি ব্যাংকে নগদ টাকার সংকট দেখা দিয়েছে। সংকট বেশ গভীর। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে উদ্যোক্তারা ঝুঁকিতে পড়েছেন। আর শিল্প উদ্যোক্তারা ইতোমধ্যে সংকটে পড়ে গেছেন। তারা প্রয়োজনে ব্যাংকের কাছে হাত পাততে পারছেন না। এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক ঘোষিত সংরক্ষণমূলক মুদ্রানীতির কারণে। নতুন মুদ্রানীতিতে ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের বিপরীতে ঋণ দেয়ার মাত্রা কমানো হয়েছে। এতে ব্যাংক সংকটে পড়তে এবং বেশি সুদে গ্রাহকদের কাছ থেকে আমাতন গ্রহণ করবে সেরকম আশঙ্কা থেকে পূঁজিবাজারে ধস দেখা দিয়েছে আগে থেকেই। কিন্তু এ পরিস্থিতি হঠাৎ করে সৃষ্টি হয়নি। যখন আমানতের সুদ হার মূল্যস্ফীতির নিচে নামিয়ে আনা হয়েছিল তখনই এরকম আমরা দৈনিক ভোরের ডাকের সম্পাদকীয় কলামে লিখেছিলাম সংকট দেখা দেবে। এখন এই সংকট ব্যাংককে আমানতের সুদহার বাড়িয়েই সমাধান করতে হবে। অন্য কোন প্রক্রিয়া গ্রহণ করা উচিত হবে না।
বেশ কিছু দিন ধরে শোনা যাচ্ছিল ব্যাংকে অলস টাকার পাহাড় জমে গেছে। উদ্যোক্তারা টাকা নিচ্ছেন না। ব্যাংকে টাকা জমতে জমতে ২ লাখ হাজার কোটি ছাড়িয়ে যায়। এই সুযোগে ব্যাংকগুলো ক্রমাগতভাবে আমানতের সুদ হার কমিয়ে ফেলতে থাকে। সুদ হার ১২ শতাংশ থেকে কমাতে কমাতে ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা হয়। ফলে সাধারণ গ্রাহকরা বিপদে পড়ে। এসময় সঞ্চয়পত্রের সুদ হারও কমানো হয় কিন্তু তা ব্যাংক রেটের থেকে বেশি থাকে। ফলে আমানতকারীরা সঞ্চয়পত্রের দিকে ঝুঁকে এবং কিছু টাকা চলে যায় শেয়ারবাজারে। এতে শেয়ারবাজার চাঙ্গা হয় ঠিকই, কিন্তু অর্থনীতিতে ঝুঁকি তৈরি হয়। যেদেশে মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশ সেখানে আমানতের সুদ হার ৫ শতাংশ হতে পারে না। এটা আমাদের নীতি নির্ধারকদের মাথার ঢোকেনি। অনিবার্য পরিণতি হিসেবে আমানতকারীরা এদিক ওদিক ছোটে। এটা অর্থনীতির সাধারণ সূত্র।
আপনি টাকা নিয়ে ব্যবসা করবেন, কিন্তু যার টাকায় ব্যবসা করবেন তাকে উপযুক্ত মুনাফা দেবেন না তাকি হয়! এর মধ্যে ব্যাংকগুলো অতিমাত্রায় ঋণ বিতরণ করেছে গত বছর। ৭২ হাজার কোটি টাকা আমানত সংগ্রহের বিপরীতে ঋণ দেয়া হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। এটাই নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছে নতুন মুদ্রানীতিতে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক দায়িত্বশীল আচরণ করেছে।
এখন ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে টাকা চাইতে পারে। সরকারকে বলতে পারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। কিন্তু সেসব কিছুই করা উচিত হবে না। ব্যাংককে আমানতের সুদ হার যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি