আজ সোমবার, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ
শিরোনাম : চলে গেলেন রংপুরের সাবেক মেয়র ঝন্টু       খালেদার জামিনের আদেশ নথি আসার পর       জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেদায়েত উল্লাহ       কোটা পদ্ধতির সংস্কার দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা       নবীগঞ্জে অজ্ঞাত কিশোরীর লাশ উদ্ধার       মণিরামপুরে ৪ দিন ধরে শিশু শ্রমিক নিখোঁজ       দুই সিটির উপ-নির্বাচন স্থগিত, রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ      
সেচের অভাবে ব্যাপক জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে না
Published : Wednesday, 14 February, 2018 at 6:16 PM, Count : 67
সেচের অভাবে ব্যাপক জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে না জগলুল হুদা, রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : চলছে ইরি চাষ। কিন্তু রাঙ্গুনিয়ার পারুয়া এলাকার চিত্র ভিন্ন। কারণ উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের মধ্যম পারুয়া গ্রামের পরাণী বিল ও মল্লা বিলের আনুমানিক দেড়শ হেক্টর জমি অনাবাদী থেকে যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় সেচের অভাবে চলতি ইরি মৌসুমে এই বিল দুটিতে চাষাবাদ হচ্ছেনা। এতে চরম দুর্দশায় পড়েছে দুই বিলের প্রায় তিন হাজার কৃষক।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়,  মধ্যম পারুয়ার পরাণী ও মল্লা বিল দুটিতে বছরে দুইবার চাষ হয়। এর মধ্যে বর্ষা মৌসুমে আমন চাষাবাদে সেচের প্রয়োজন না হলেও ইরি মৌসুমে চাষ করতে হলে সেচের পানির প্রয়োজন হয়। এ জন্য কৃষকরা ভরা মৌসুমে দুই বিলের মাঝখানে সোনাইছড়ি খালের পানি বাঁধ দিয়ে আটকে রাখেন। খালের পানি আটকানোর জন্য দায়িত্বে থাকা দুইজন স্কিম ম্যানেজার প্রতিবছর নিজ খরচে পানি আটকানোর ব্যবস্থা করেন।
এ জন্য  তারা কৃষকদের থেকে প্রতি কানি চাষাবাদে পানি সেচ দিলে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা এবং পানির পাম্প ছাড়া ড্রেনের মাধ্যমে পানি দিলে কানি প্রতি দেড় হাজার টাকা করে নেন। এছাড়াও খালের পানি আটকে রাখার জন্য এক কৃষকের দুই কানি জমি ডুবে যায়। তাকে ক্ষতিপূরণ বাবদ বিশ হাজার টাকা প্রদান করেন স্কিম ম্যানেজাররা। এভাবে বছরের পর এই বিল দুটিতে চাষাবাদ করে আসছিল কৃষি নির্ভর এই গ্রামের কৃষকরা। কিন্তু চলতি মৌসুমে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই খালের পানি আটকানোর কোন ব্যবস্থা করেনি দুই স্কিম ম্যানেজার। খালের পানিও শুকিয়ে য্াওয়ায় চাষাবাদের কোনো উপায় দেখছেন না তাঁরা। ফলে বিল দুটির প্রায় দেড়শ হেক্টর জমি অনাবাদী থেকে যায়। এই অবস্থায় বিল দুটির মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া সোনাইছড়ি খালের উপর একটি স্লুইচ গেইট নির্মাণ সহ ক্ষতিপূরণ দাবী করেছেন কৃষকরা।  
পরানী বিলের কৃষক আবুল বশর (৬০) বলেন, ‘গত আমন মৌসুমে ছয় কানি জমি চাষাবাদ করেছিলাম। ভালই ধান হয়েছিল। ইরি মৌসুমে আবার আবাদ করব সেই আশায় খাওয়ার জন্য অল্প রেখে বাকী ধান বিক্রি করে দিয়েছিলাম। কিন্তু স্কিম ম্যানাজার পানি না ধরে আমাদের পথে বসিয়ে দিল। এখন খাব কি, যাব কোথায় বুঝতেছি না।’
মল্লা বিলের কৃষক সুলতান আহমদ (৬৫) বলেন, ‘কানি প্রতি আমাদের থেকে তারা যা টাকা দাবী করে বেশি হলেও আমরা ততটাকা দিয়েই এতদিন মুখবুজে চাষাবাদ করে এসেছি। তারা পানি আটকাবেনা সেটা আগে বলে দিলে আমরা ভিন্ন ব্যবস্থা করতাম। এখন আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি। আমরা এর জন্য ক্ষতিপূরণ চাই।’  





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


কাগজে যেমন ওয়েবেও তেমন
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সোস্যাল নেটওয়ার্ক
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
মেসার্স পিউকি প্রিন্টার্স, নব সৃষ্ট প্লট নং ২০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং ৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।
বার্তা বিভাগ : ৯৫৬৩৭৮৮, পিএবিএক্স-৯৫৫৩৬৮০, ৭১১৫৬৫৭, ফ্যাক্স : ৯৫১৩৭০৮ বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন ঃ ৯৫৬৩১৫৭
ই-মেইল : bhorerdk@bangla.net, adbhorerdak@gmail.com,  Developed & Maintenance by i2soft
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি